নিজস্ব প্রতিবেদক
রোজার মাসে ধূমপায়ীরা প্রকাশ্যে ধূমপান করছে না, তাই তারা বছরের বাকি ১১ মাসও প্রকাশ্যে ধূমপান না করে থাকতে পারবেন। এজন্য প্রয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধির বলে মন্তব্য করেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান। ধূমপান ও তামাকজাতদ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির ত্রৈমাসিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা সিভিল সার্জনের আয়োজনে ও জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিনিয়র কর্মকর্তা কাজী হাসিবুল হক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ উল আলম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস প্রমুখ।
বক্তারা সভার সভাপতির মাধ্যমে যশোর পৌরসভার তত্ত্বাবধায়নে আগামী দিনে তামাক পণ্য বিপণন নিয়ন্ত্রণের লক্ষে তামাক পণ্য বিক্রয়কারীদের আলাদাভাবে ট্রেড লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসার প্রস্তাবসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। সভার সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান বলেন, পৌর এলাকায় লাইসেন্স ছাড়া কোন ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব না তাই যদি তামাক পণ্য বিক্রয়কারীদের আলাদা লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসলে তারা ১৮ বছরের কম বয়সী কারো কাছে তামাক পণ্য বিক্রয় করতে বা বিক্রয় কাজে ব্যবহার করতে পারবে না। তাহলে নতুন করে ধূমপায়ী তৈরি হবে না বা অনেকটা কম হবে। এছাড়াও বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিবে জেলা প্রশাসন।
