শিশু চুরির দায় এড়াতে আমার মাকে ফাঁসানো হচ্ছে

201

 

কল্যাণ রিপোর্ট : যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির দায় এড়াতে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তপক্ষ মমতাজ পারভীন নামে এক সমাজকর্মীকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল শনিবার প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এমন দাবি করেন মমতাজ পারভীনের মেয়ে সাবরিন সুলতানা প্রত্যাশা।

লিখিত বক্তব্যে প্রত্যাশা বলেন, ‘আমার বাবা গুরুতর অসুস্থ হলে ৮ জুলাই যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসনো করাতে আমার মা বাবাকে নিয়ে হাসপাতালের নিচতলায় আসেন। এর আগে একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে রক্ত ও প্রসাব পরীক্ষা করান। আল্ট্রাস্নোগ্রাম করানোর রুমের সামনে থেকে বাইরে চিৎকার শুনে আমার মা বেরিয়ে এসে জানতে পারেন একটি শিশু চুরি হয়েছে। এ সময় তিনি ভুক্তভোগীদের আশপাশে খোঁজখবর নেওয়ার পরামর্শ দেন। এজন্য অপরিচিত এক ব্যক্তি নিজেকে দুদক কর্মকর্তা দাবি করে আমার মাকে শিশু চুরির সাথে জড়িত বলে সন্দেহ করেন। তিনি পরে আমার মাকে পুলিশের কাছে দিয়ে দেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আমার মা ওই লেবার ওয়ার্ডে একবারও যাননি।’
সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ পারভীনের ছেলে মেহেদী হাসান, মতিয়ার রহমান, এনামুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছেলে চুরি হওয়া মায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রত্যাশা বলেন, ‘বোরকাপরা এক মহিলা ছেলেটি চুরি করেছে। আমার মা মমতাজ পারভীন ওই দিন হাসপাতালে বোরকা পরে যাননি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা মমতাজ পারভীন ‘শুকতারা নারী কল্যাণ সংস্থা’র নির্বাহী পরিচালক। এই সংস্থার মাধ্যমে ২০ বছর ধরে সমাজের নারী ও শিশুদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন আমার মা । একই সাথে তিনি ২৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। বর্তমানে তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মমতাজ বেগমের বড় ভাই সপরিবারে ওমান প্রবাসী। একমাত্র মেয়ে সাবরিন সুলতানা প্রত্যাশা ঢাকাস্থ একটি সংস্থার কান্ট্রি ডিরেক্টর অফিসে কর্মরত। মমতাজ বেগমের ছোট ছেলে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন। আর মমতাজের স্বামী সাখাওয়াৎ হোসেন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা।’