পরীক্ষায় ভালো করে স্মার্টফোন প্রাপ্তি; অতঃপর ছাত্রীর আত্মহত্যা!

143

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষের একটি কমন বদঅভ্যাস হলো সারাদিন মোবাইল ফোন নিয়ে গুঁতাগুতি করা। এই মেয়েটিও তাই করত। সারা দিন ধরে মোবাইলে ব্যস্ত। প্রতিদিনই এই নিয়ে মায়ের সঙ্গে চলছিল অশান্তি। আর তারই জেরে আত্মঘাতী হলো কলকতার বেনিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আরহাম রহমত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে স্ত্রী মাঝাহবিন আরাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন আরহামের বাবা রফিকুতুল্লাহ। রাতে ফিরে এসে দেখেন মেয়ের ঘরের দরজা ভেজানো। বার বার ডাকার পর কোনো সাড়া না পাওয়ায় দরজা খুলে মেয়েকে গলায় ওড়নার ফাঁস জড়িয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা! সঙ্গে সঙ্গে মেয়েকে ফাঁস খুলে নামিয়ে আনেন। ডাকা হয় চিকিৎসককে।
স্থানীয় চিকিৎসক কিশোরীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর দেওয়া হয় বেনিয়াপুকুর থানায়। পুলিশ তদন্ত শুরু করতেই সামনে আসে মোবাইল নিয়ে মায়ের সাথে কিশোরীর ঝামেলার কথা। আরহামের বাবা-মা বলেন, ফোন হাতে পাওয়ার পর থেকেই সারা দিন ওটা নিয়ে ব্যস্ত থাকত মেয়ে। পড়াশোনায় উঠে গিয়েছিল মন। সবসময় বিভিন্ন অ্যাপ-এ ঘোরাফেরা করতে, চ্যাট করত। আর তা নিয়েই মায়ের সঙ্গে রোজকার গ-গোল শুরু হয়।
কয়েকদিন আগেই আরহামের বড় ভাই কর্মস্থল থেকে কলকাতায় এসেছিলেন। তিনি এই অশান্তি দেখে আরহামের কাছ থেকে ফোনটি নিয়ে নেন এবং মায়ের কাছে রেখে দেন। আর সেই সময় থেকেই মনমরা হয়ে ছিল আরহাম। আরহামের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীরাও নিশ্চিত, ফোনের জন্যই অভিমানে আত্মঘাতী এই কিশোরী। তবে এছাড়া অন্য কোনো কারণে আরহাম অবসাদে ভুগছিল কিনা সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে।
সূত্র : আনন্দবাজার

Previous articleবিয়ে করলেন বাপ্পা-তানিয়া
Next articleশার্শায় সন্ত্রাস-মাদকবিরোধী সমাবেশ