৩০ লাখ শহীদ স্মরণে ৩০ লাখ বৃক্ষরোপণ

509

 

কল্যাণ ডেস্ক : মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লাখ বীর শহীদের স্মরণে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ লাখ বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এর উদ্বোধন করেন তিনি।
এ বছরই প্রথম জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৮ এর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লাখ বীর শহীদের স্মরণে সারাদেশে একযোগে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ লাখ বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। দেশজুড়ে বিভিন্ন উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন তো রয়েছেই।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সামাজিক বনায়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে নারীর ক্ষমতায়ন, নেতৃত্ব সৃষ্টি, কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
‘সামাজিক বনায়নের আওতায় ১৯৮১-১৯৮২ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ৮৪ হাজার ৩৭৮ হেক্টর এবং ৬৮ হাজার ৮৩০ কিলোমিটার ভূমিতে বাগান করা হয়েছে। এই বাগানে ৬ লাখ ৫২ হাজার ৯৫৫ জন উপকারভোগী সম্পৃক্ত রয়েছেন। যাদের মধ্যে নারী উপকারভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৫০৭ জন।’
সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে এ পর্যন্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ প্রায় ৩৩১ কোটি ৮ লাখ ৭৯ হাজার ২৫৬ টাকা বলে জানান তিনি।
বনভূমি সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বনভূমি সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের ব্যাপক প্রসার ঘটাতে আমরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছি। একদিকে পরিবেশ দূষণ হ্রাস করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে; অন্যদিকে বৃক্ষরোপণ ও বনাঞ্চল সৃষ্টির মাধ্যমে বিরূপ আবহাওয়া মোকাবেলা এবং গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, প্লাস্টিকের অপঁচনশীলতার জন্য প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানসমুহ চলাচলে বাঁধা প্রদান করে মাটির গুণগত মান হ্রাস করে। প্লাস্টিক দূষণ বর্ষাকালে শহরগুলোতে নর্দমা এবং খালসমূহে পানি প্রবাহে বাঁধার ফলে মাত্রাতিরিক্ত জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করছে।

Previous articleমাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ যশোর
Next articleবামদের নতুন জোট