বিজয়ের মাসে স্বাধীনতা কাপ

201

ক্রীড়া ডেস্ক : বিজয়ের মাস ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে স্বাধীনতা কাপ। এর আগে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল (বিপিএল)। তার বদলে স্বাধীনতা কাপের ফুটবলযজ্ঞ। মাত্র দশ মাসের ব্যবধানে আবার দেশের এই জায়ান্ট টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ড্র হয়ে গেছে আজ।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সম্মেলন কক্ষে ক্লাব কর্মকর্তাদের নিয়ে বিকেলে এই ড্র অনুষ্ঠান হয়েছে।

চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে দুই ক্লাবকে নিয়ে ১৩টি দল অংশ নিচ্ছে এই টুর্নামেন্টে। চার গ্রুপে দলগুলো খেলবে।

যারা যে গ্রুপে
গ্রুপ এঃ সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ ও টিম বিজেএমসি
গ্রুপ বিঃ চট্টগ্রাম আবাহনী, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, রহমতগঞ্জ এমএফসি ও নবাগত নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব
গ্রুপ সিঃ ঢাকা আবাহনী, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া সংসদ
গ্রুপ ডি: শেখ জামাল, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও বসুন্ধরা কিংস

চার গ্রুপের মধ্যে গ্রুপ ডি কার্যত ডেথ গ্রুপ বলা যায়। টুর্নামেন্টের টপ ফ্যাবারিট শেখ জামাল, শেখ রাসেল ও নবাগত বসুন্ধরা কিংস ক্লাব এই গ্রুপে। তিনটি ক্লাবের পৃষ্ঠপোষকতায় বসুন্ধরা। একই গ্রুপে পড়ে গেছে। তবে, তিন দলের কর্মকর্তারা মনে করেন, ‘ভাই ভাই ক্লাব হলেও মাঠে কোন ছাড় থাকবে না। মাঠেই যে যার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে।’

১ তারিখ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই টুর্নামেন্ট। ১১-১৪ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল। ১৯-২০ সেমি ও ২৪ ডিসেম্বর এর ফাইনাল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সবগুলো ম্যাচ গড়াবে। টুর্নামেন্টটি গতবারের মতো এবার পৃষ্ঠপোষক ভূমিকায় ওয়াল্টন।

শেষবার তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। সমালোচনার মুখে বিদেশিদের দরজা বন্ধ করা হয়েছিল স্বাধীনতা কাপে। এই টুর্নামেন্ট দিয়েই জাতীয় দলে ঢোকার সুযোগ করে নিয়েছিলো উদীয়মান ফুটবলাররা। এবার সেই আবারও সেইপথ বন্ধ হতে চলেছে!

যদিও এমনটা মনে করেন না পেশাদার ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মুর্শেদী, ‘গত বছর স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে এই টুর্নামেন্ট দেখতে কেউ আসে নাই। জমজমাট খেলাও উপহার দিতে পারে নি কেউ। তাই বাইলজে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার বিদেশিরাও খেলতে পারবে।’

Previous articleমধু দা’কে নিয়ে সিনেমার মহরত হলো মধুর ক্যান্টিনে
Next articleখুলনায় নবনির্মিত রেলস্টেশন থেকে ট্রেন চলাচল শুরু