যশোরে মুজিববর্ষের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

96

কল্যাণ রিপোর্ট : যশোরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে (১১ জানুয়ারি) যশোর সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলা পরিষদ থেকে বিজিবি বটতলা মোড় প্রদক্ষিণ করে শোভাযাত্রাটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ‘বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন বৃহত্তর যশোর জেলার বিএলএফ উপ-প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একরাম-উদ-দ্দৌলা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এএইচএম মুযহারুল ইসলাম মন্টু, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম খয়রাত হোসেন, যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসেন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিাহাস তুলে ধরেন। এছাড়াও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান নিয়ে এ সময় বক্তারা আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ১০ই জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপ দেয়ার জন্য কাজ শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে হানাদারবাহিনীর হাতে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়া যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিনির্মাণে দ্রুত হার্ডিঞ্জ সেতু সংস্কার করে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুনঃস্থাপিত করেন। এবং জাপান সফরে গিয়ে তিনি যমুনা সেতুর জন্য জাপান সরকাকে আহবান জানালে জাপান সরকার তাতে সাড়া দেয় এবং বঙ্গবন্ধু ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় পর্যন্ত তারা এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ চালান। যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তীকালে বর্তমান সরকারের আমলে যমুনা সেতু নির্মিত হচ্ছে। বাঙালি জাতির ত্রাণকর্তা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা না করলে আজ বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতো।

LEAVE A REPLY