শার্শায় গৃহবধূ ধর্ষণের সাথে এসআই খায়রুল জড়িত নন : পিবিআই

169

কল্যাণ রিপোর্ট : যশোরের শার্শার লক্ষ্মণপুর গ্রামে দুই সন্তানের জননী (৩০) ধর্ষণের সাথে পুলিশের এসআই খায়রুল আলমের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোর। তবে ঐ ঘটনার সাথে গৃহবধূর দায়ের করা মামলার ২য় আসামি আব্দুল লতিফের (৫০) জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন বাদী তার এজাহারে উল্লেখিত এসআই খায়রুল আলম নামে যাকে সন্দেহ করে অন্য একজনকে অভিযুক্ত করেন উক্ত এসআই খায়রুল আলমের অবস্থান ঘটনার দিন বাদীর উল্লেখিত ঘটনাস্থলে ছিলেন না। যা তদন্তকালে তার মোবাইল কললিস্ট পর্যালোচনা, সন্দেহভাজন অন্যান্য ব্যক্তিদের সাথে ফোনের যোগাযোগ এবং অফিসিয়াল অন্যান্য নথি পর্যালোচনায় জানা যায়।
এ ছাড়া এসআই খায়রুল আলম ও কথিত দুজন সোর্সের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় উক্ত ঘটনার সাথে গোড়পাড়া ক্যাম্পের আইসি এসআই খায়রুল আলমের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। উক্ত ঘটনায় প্রাথমিকভাবে মামলার ২য় আসামি আব্দুল লতিফের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে পুলিশ রিপোর্ট দাখিলের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর দুই সস্তানের জননী ওই গৃহবধূ কোলের শিশু সন্তানসহ ধর্ষণের পরীক্ষা করানোর জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে এলে ঘটনা প্রকাশ পায়। গৃহবধূ ৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই খায়রুল আলম দুই সোর্সের সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ শার্শা থানায় অভিযোগ দিলে অজ্ঞাতনামা একজনসহ চারজনকে আসামি করে মামলা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক শেখ মোনায়েম হোসেন।

LEAVE A REPLY