কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা ৪র্থ দিনে মধুসূদন পদক পেয়েছেন দুই কবি

105

আজিজুর রহমান,কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি সাগরদাড়িতে আমি প্রথম এসে ধন্য হয়েছি। মধুকবি বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতায় এনেছেন। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় কেশবপুরের সাগরদাঁড়ীর মধু মঞ্চে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা শেষে দুই কবিকে মধুসূদসন পদক প্রদান করা হয়। যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও বি এল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, যশোর এম এম কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, মধুসূদন পদক প্রাপ্ত রাজশাহী বিশ্বাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রফেসর অনীক মাহমুদ ও পটুয়াখালির হাজী আক্কেল আলী হাওলাদার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ আলম বাবুল। আলোচনা করেন, প্রধাণ আলোচক হিসেবে অংশ নেন, যশোর সংবাদপত্র ইউনিয়নের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা একরাম উদ-দ্দৌলা, কথা সাহিত্যিক ম্যারিনা নাসরিন, বাংলাদেশ পোয়েট ফাউন্ডেশন কেশবপুর শাখার সেক্রেটারি কবি মকবুল মাহফুজ, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসাইন, সাতক্ষীরা বলাবাড়িয়া আমজাদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র শিক্ষক অনন্ত সরকার। আলোচনা শেষে একই মঞ্চে বাংলা কাব্যে অসামান্য অবদানের জন্য ‘সৃষ্টিশীল কবিতা ও নাটক সাহিত্য’ ক্যাটাগরিতে বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অনীক মাহমুদ এবং কথাসাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ‘গবেষনাধর্মী প্রবন্ধ ও উপন্যাস’ ক্যাটাগরিতে বিশিষ্ট কবি, ছড়াকার, গল্পকার ও কথাসাহিত্যিক মাসুদ আলম বাবুলকে মহাকবি মধুসূদন পদক ২০২০ প্রদান করা হয়।

LEAVE A REPLY