কংক্রিট মাস্টার ড্রেন নির্মাণ কাজ মাঝপথে বন্ধ মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে  যশোর নতুন উপশহরের মানুষ

124

আব্দুল ওয়াহাব মুকুল : যশোর নতুন উপশহরের ই ব্লকে বসবাসরতরা ভয়াবহ ডেঙ্গু মশা ও মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়েছে। সেই সাথে স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছে উপশহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যশোর শিক্ষা বোর্ড স্কুল এন্ড কলেজ ও দুইটি কিন্ডারগার্ডেনের হাজারে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকমন্ডলী। ডেঙ্গু মশা প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে ই ব্লক এলাকার আভির্ভাব ঘটেছে।
কারন কংক্লিট মাস্টার ড্রেন নির্মান কাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকায় ব্লকের প্রতিটা সাব ড্রেনের সব নোংরা পানি ও লেট্রিনের বজ্য ড্রেনের মধ্যে জমে রয়েছে। আবার ঐ সকল বজ্য ও পানি অনেকটা উপশহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এসে জমেছে। ময়লা পানির দুর্গন্ধের কারনে ইতিমধ্যে উপশহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস না নিয়ে ছুটি দেয়া হয়।
সরেজমিন তথ্যানুসন্ধান কালে ই ব্লকে বসবাসরতরা বলেছেন, সাব ড্রেনের সব নোংরা পানি ও লেট্রিনের বজ্য কাঁচা মাস্টার ড্রেনের মাধ্যমে গত প্রায় ৫০ বছর ধরে শেখ হাটির শালাভরা বিলে ও কিছুটা পাশে প্রস্তাবিত উপশহর শিশু পার্কের জন্য বাখা খোলা মাঠে গিয়ে পড়তো। বর্তমানে ওই বিলের যায়গা বসবাসের জন্য প্লট প্লট হয়ে বিক্রি ও নিয়মিত চাষাবাদ হওয়ায় ওই কাঁচা মাস্টার ড্রেনের মাধ্যমে পানি বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তখন থেকে সৃষ্টি হয় দূর্ভোগ।
এক পর্যায়ে ই ব্লকে বসবাসরতরদের মারাত্মক দূর্ভোগ লাঘবে উপশহর হাউজিং এস্টেটের উদ্যোগে কাঁচা মাস্টার ড্রেনের স্থলে কংক্লিট মাস্টার ড্রেন নির্মান কাজ শুরু হয়। যা নির্মান কাজ মাঝ পথে এসে অজ্ঞাত কারনে গত ৬ মাসের মত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। এই ড্রেনটি সরাসরি সেখহাটি বাজারের পাশ দিয়ে সরাসরি ভৈরব নদে জিয়ে পড়বে।
তথ্যানুসন্ধান কালে ই ব্লকে বসবাসরতরা শংকিত হয়ে বলেছেন, ইতিমধ্যে তাদের পরিবারের বৃদ্ধ ও শিশুদের ড্রেনের সব নোংরা পানি ও লেট্রিনের বজ্যের দূর্গন্ধে নানান রোগ ব্যধি আক্রান্ত হওয়া শুরু হয়েছে। দিনকে দিন তা মারাত্মক সমস্যার দিকে ধাবিত হচ্ছে। আবার সামনেই আসছে ডেঙ্গু মশার সিজেন। এখনই ওই ড্রেন নির্মান শেষ না করতে পারলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার ঘটবে। তখন ই ব্লকে বসবাসরতরা এক ভয়াবহ ডেঙ্গু মশা ও মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকি মোকাবেলায় দিন যাপন করবে।
এ বিষয়ে উপশহর ইউপি চেয়ারম্যান এহসানুল হক লিটু বলেছেন, উপশহর হাউজিং এস্টেটের প্রকৌশলীরা কাজ দ্রুত শুরুর প্রতিশ্রুতি দিলেও তারা ব্যর্থ হয়েছেন।
উপশহর হাউজিং এস্টেটের প্রকৌশলীরা বলেছেন, স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকরা সুভিদার না। তাই কোন তথ্য দেয়া যাবেনা।

Previous articleশেখ মুজিব : বাঙালীর ভাষা রাষ্ট্রের পিতা
Next articleগ্রীষ্ম কালীন কবুতর উড়ানো প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here