শেখ মুজিব : বাঙালীর ভাষা রাষ্ট্রের পিতা

139

মোস্তাফা জব্বার
ধর্মভিত্তিক পাকিস্তান রাষ্ট্র গড়ে ওঠার পর বাঙালীরা প্রথম ধাক্কাটি পায় তার ভাষা নিয়ে। কালক্রমে সেটি কেবল ভাষায় সীমিত থাকেনি, আক্রমণের ভিত্তি বাঙালীর সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন ধারার ওপরও সম্প্রসারিত হয়। বাঙালীর ভাষা রাষ্ট্রের জনককে চিনতে হলে তাই ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সম্পৃক্ততা জানা দরকার। ভাষা আন্দোলনে শেখ মুজিবের ভূমিকা তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর জিয়াউদ্দিন আহমদ অভিমত ব্যক্ত করেন যে, হিন্দীকে ভারতের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে যেহেতু স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে, উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করা উচিত। পাকিস্তান নিশ্চিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জিয়াউদ্দিনের উপরোক্ত মতামত প্রচারিত হলে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর প্রেক্ষিতে বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি জোরালোভাবে বলেন- ‘উর্দু পাকিস্তানের কোন অঞ্চলেই মাতৃভাষা রূপে চালু নয়। যদি বিদেশী ভাষা বলিয়া ইংরেজী ভাষা পরিত্যক্ত হয়, তবে বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা রূপে গ্রহণ না করার পক্ষে কোন যুক্তি নাই’। তার এই বক্তব্যের পক্ষে বা বিপক্ষে তখন কেউ কোন মন্তব্য করেছে বলে মনে হয় না। কেননা তখন সকলের দৃষ্টি ভারত বিভক্তি এবং নতুন পাকিস্তান রাষ্ট্রের উৎপত্তির দিকে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে প্রত্যেক বাঙালীর জন্য প্রাথমিক শিক্ষণীয় ভাষা অবশ্যই বাংলা হইবে। উম্মাদ ব্যতীত কেহই ইহার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করিতে পারিবে না।’ পাকিস্তান আন্দোলনের নেতারা রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে কোন মন্তব্য না করার ফলে এ নিয়ে বড় কোন ধরনের বিতর্ক পরিলক্ষিত হয়নি। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই রাষ্ট্রভাষার সন্দেহ ঘনীভূত হতে থাকে। কেননা পাকিস্তান সৃষ্টির প্রাক্কালে রাষ্ট্রভাষার প্রসঙ্গটি বিভিন্নভাবে উচ্চারিত হয়েছিল। বিশেষত পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা চৌধুরী খালেকুজ্জামান (১৮৮৯-১৯৭৩) পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুর পক্ষে মতামত রেখেছিলেন ১৯৪৭ সালের ১৮ মে তারিখে। পাকিস্তান সৃষ্টির পর সরকারের পক্ষে থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ সম্পর্কে কোন ঘোষণা দেয়া না হলেও বাংলাকে অবমূল্যায়ন করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। উর্দুর পক্ষে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট ছিলো। তখন সচেতন মহল আশঙ্কা করেন যে কোন মুহূর্তে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে সরকারী ঘোষণা আসতে পারে। গণতান্ত্রিক যুবলীগ ১৯৪৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত তাদের সম্মেলনে বাংলা ভাষাকে ‘পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন ও আইন আদালতের ভাষা’ করার দাবি জানায়। ওই সময়ে প্রয়াত ড. মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-৮১) তার এক নিবন্ধে লেখেন যে, উর্দু প্রচলিত হলে পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক রাষ্ট্রিক সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ধ্বংস ঘনিয়ে আসবে এবং ‘সর্ব বিষয়ে পূর্ব পাকিস্তান হবে উত্তর ভারতীয় পশ্চিম পাকিস্তানী উর্দুওয়ালাদের শাসন ও শোষণের যন্ত্র। পাকিস্তান সৃষ্টির মাত্র তিন মাসের মধ্যে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা নিয়ে এতসব প্রতিক্রিয়ার পরও করাচীতে ৫ ডিসেম্বর ১৯৪৭ সালে অনুষ্ঠিত শিক্ষা- সম্মেলনে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ করা হয়। পাকিস্তানের তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান, মন্ত্রী হাবিবুল্লাহ বাহার ও আবদুল হামিদ ওই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে সম্ভবত এটিই সরকারের প্রথম উদ্যোগ ও উদ্দেশ্য ব্যক্ত করা হয়। এই সংবাদ ৬ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে প্রকাশিত মর্নিং নিউজ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ের প্রাঙ্গণে ছাত্রদের প্রতিবাদ সভা করা হয়। এটিই রাষ্ট্রভাষার দাবি নিয়ে ছাত্রদের প্রথম সাধারণ সমাবেশ। ওই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তমদ্দুন মজলিসের সম্পাদক অধ্যাপক আবুল আবুল কাশেম। বক্তৃতা করেন মুনীর চৌধুরী, আব্দুর রহমান, একেএম আহসান, কল্যাণ দাশগুপ্ত ও এস আহমদ প্রমুখ। সভার প্রস্তাব পাঠ করেন ফরিদ আহমদ। সমাবেশ শেষে ছাত্ররা মিছিলসহকারে সচিবালয় এবং মর্নিং নিউজ পত্রিকার সম্মুখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ছাত্রদের অংশগ্রহণ দেখে বিভিন্ন স্তরের মানুষও এর সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে। এরই ফলে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। পরিষদের পক্ষ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত এবং মনি অর্ডার, ডাক টিকেট ও টাকায় ইংরেজী ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা লেখার আবেদন জানানো হয়। ধীরে ধীরে বাংলা ভাষার প্রসঙ্গটি সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের করাচিতে অনুষ্ঠিত প্রথম অধিবেশনের গণপরিষদ ইংরেজীর সঙ্গে উর্দু ভাষা ব্যবহারের প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে বাংলা ভাষা ব্যবহার সম্পর্কিত ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১) আনীত সংশোধনী প্রস্তাবের উপর ২৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রভাষার উপরে আলোচনা শুরু হয়। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ঐতিহাসিক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন এবং জোরালো ভাষায় এর পক্ষে বক্তব্য রাখেন। তিনি যা বলেন তার ভাবানুবাদ এমন ‘এটি রাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভাষা এবং মর্যাদাটাও অনন্য। এই রাষ্ট্রের ছয় কোটি নব্বই লাখ মানুষের মাঝে চার কোটি চল্লিশ লাখ বাংলা ভাষায় কথা বলেন। সুতরাং রাষ্ট্রের ভাষা কি হওয়া উচিত? রাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষাই রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত এবং সেই কারণেই আমি মনে করি বাংলাই আমাদের রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত।’

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান সম্মানিত সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বক্তব্যের বিরোধিতা করে দীর্ঘ বক্তৃতায় যা বলেন তার ভাবানুবাদ হলোÑ ‘পাকিস্তান একটি মুসলমান রাষ্ট্র এবং সেজন্য এই রাষ্ট্রের ভাষা একটি মুসলিম ভাষাই হতে হবে। আমি বছরের পর বছর কেন্দ্রীয় এ্যাসেম্বলিতে কখনও কাউকে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলতে শুনিনি। আমি জানতে চাই এখন কেন এই দাবি উঠল। এই দাবি পাকিস্তানের মানুষদেরকে বিভক্ত করার একটি প্রয়াস। এই সংশোধনী মুসলমানদের ঐক্য বিনষ্ট করার জন্য।’

দুঃখজনক হলেও সত্য মুসলিম লীগ দলের কোন বাঙালী সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কে সমর্থন করে কথা বলেননি। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এই যে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ববাংলার গণমানুষের ভাষার স্বপক্ষে কথা বলেননি বরং খাজা নাজিমুদ্দিন উর্দুর পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে যা বলেন তার ভাবানুবাদ এমন- সংসদ নেতা এটি স্পষ্ট করেছেন যে বাংলাকে প্রাদেশিক ভাষা রাখা হবে এবং আমি বিশ্বাস করি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে। বাংলাকে পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা করার কোন যৌক্তিক কারণ নেই তবে বাংলা প্রদেশের জন্য এটি হতে পারে।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত আনীত বাংলা ভাষা প্রস্তাব ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান সরকারের একগুয়েমি এবং মুসলিম লীগ নেতাদের অদূরদর্শিতার কারণে বাতিল হয়ে যায়। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের আচরণকে ব্যাখ্যা করেছিলেন এভাবে, ‘..১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ যখন করাচীতে গণপরিষদে এই মর্মে প্রস্তাব পাস করা হলো যে, উর্দুই হবে পাকিস্তাানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, তখন থেকেই বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সূত্রপাত। তখন কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত একমাত্র এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন আমি অবাক হয়ে যাই ওই সময় আমাদের বাঙালী মুসলিম নেতারা কি করেছিল?..’

গণপরিষদে বাংলা ভাষা বিরোধী সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে ঢাকায় ছাত্র সমাজ বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট পালন করে। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্রদের সভা, শোভাযাত্রা, পিকেটিং ও বিক্ষোভ খাজা নাজিমুউদ্দিনের মুসলিম লীগ সরকার লাঠি, টিয়ার গ্যাস ও ফাঁকা গুলি বর্ষণে স্তব্ধ করতে ব্যর্থ হয়ে ব্যাপক ধরপাকড় করে। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ ছাত্র নেতাকে গ্রেফতার করা হয়, বাঙালী এই প্রথম পাকিস্তানের প্রকৃত পরিচয় লাভ করে। এ প্রসঙ্গে ভাষাসৈনিক গাজীউল হক লিখেছেন, ‘ঢাকায় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হলো। ১১ মার্চে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো। ১০ মার্চ রাতে ফজলুল হক হলে রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের একটি সভা বসল। সভায় আপোসকারীদের ষড়যন্ত্র শুরু হলো। রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের আহ্বায়কসহ অনেকেই তখন দোদুল্যমানতায় ভুগছে, আপোস করতে চাইছে সরকারের সঙ্গে। একটা বজ্রকণ্ঠ সচকিত হয়ে উঠল’ সরকার কি আপোস প্রস্তাব দিয়েছে? নাজিমুদ্দিন সরকার কি বাংলা ভাষার দাবি মেনে নিয়েছে? যদি তা না হয়ে থাকে তবে আগামীকাল ধর্মঘট হবে, সেক্রেটারিয়েটের সামনে পিকেটিং হবে। এই বজ্রকণ্ঠ ছিল শেখ মুজিবের। ছাত্রনেতা শেখ মুজিবকে সমর্থন দিলেন অলি আহাদ, মোগলটুলির শওকত সাহেব, শামসুল হক সাহেব। আপোসকামীদের ষড়যন্ত্র ভেসে গেল। অলি আহাদ উল্লেখ করেছেন, ‘সেদিন সন্ধ্যায় যদি মুজিব ভাই ঢাকায় না পৌঁছাতেন তাহলে ১১ মার্চের হরতাল, পিকেটিং কিছুই হতো না।’ তরুণ শেখ মুজিব সেই রাতে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে ফজলুল হক হলে অনুষ্ঠিত সভায় যোগদান করেন। ১১ মার্চের ধর্মঘটে শেখ মুজিব সচিবালয়ে পিকেটিং করার সময় গ্রেফতার হন। পাকিস্তান সৃষ্টির সাত মাস পূর্তির আগেই তিনি গ্রেফতার হলেন। স্বাধীন পাকিস্তানের রাজনীতিতে এটিই তার প্রথম গ্রেফতার। শেখ মুজিবসহ অন্য ছাত্র নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ১৩ মার্চ ছাত্র ধর্মঘট এবং ১৪ মার্চ প্রদেশব্যাপী হরতাল পালিত হয়। আন্দোলন তীব্রতর হতে থাকলে নাজিম উদ্দিন সরকার ছাত্র নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। উভয় পক্ষ মিলে একটি খসড়া চুক্তি প্রণয়ন করেন। কিন্তু শেখ মুজিবসহ বিশিষ্ট ছাত্রনেতারা ১১ মার্চ থেকে ছিলেন কারাগারে। ছাত্র নেতারা তাদের অনুমোদন ব্যতীত কোন চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাই এই প্রসঙ্গে অলি আহাদ বলছেন-‘চুক্তিপত্রটি ১১ মার্চ ধৃত বন্দীগণ কর্তৃক অনুমোদনের জন্য অধ্যাপক আবুল কাশেম ও কমরুদ্দীন আহমদ কারান্তরালে আমাদের সহিত বৈঠকে মিলিত হইলেন। জনাব শামসুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান ও আমি (অলি আহাদ) বন্দীগণের পক্ষ হইতে খসড়া চুক্তির শর্তাবলী পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অনুমোদন করিলাম।’

শেখ মুজিবুর রহমান যে পাকিস্তানী শাসকদের প্রতি বিশাল হুমকিস্বরূপ সেটি তার ওপর নজরদারিতেই বোঝা যায়। ইতিহাসের পাতা খুঁজলে পাকিস্তানীদের এই মানসিকতার প্রতিফলন আমরা দেখতেই থাকব। অন্যদিকে আমরা দেখতে পাব যে একটি ভাষা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ধাপে ধাপে কেমন করে বাংলা ভাষাকেন্দ্রিক আন্দোলন গড়ে তুলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার যে সুদৃঢ় মানসিকতা সেই ৪৮ সালেই শেখ মুজিব প্রকাশ করেন তা থেকেই বোঝা যায় ভাষাভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে তিনি কত দৃঢ়চিত্ত ছিলেন।
লেখক : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাসের চেয়ারম্যান, সাংবাদিক, বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যারের জনক

Previous articleবিপুল অঙ্কের টাকার দুর্নীতি, কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হোক
Next articleকংক্রিট মাস্টার ড্রেন নির্মাণ কাজ মাঝপথে বন্ধ মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে  যশোর নতুন উপশহরের মানুষ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here