পেঁয়াজসহ ৬ পণ্যের মূল্য কমলো

0
91

কল্যাণ ডেস্ক : নিত্যপণ্যের বাজারে উত্তাপ কিছুটা কমেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকা পণ্যগুলোর মধ্যে অন্তত ৬টি পণ্যের মূল্য কমেছে। এগুলো হলো, পেঁয়াজ, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ময়দা ও এলাচ। এছাড়া, সবজির বাজারেও খানিকটা স্বস্তি লক্ষ করা গেছে। শীতের সবজির মূল্য নতুন করে বাড়েনি বরং কিছু পণ্যের মূল্য অল্প হলেও কমেছে। তবে এখনও অস্বস্তি বিরাজ করছে মসলার বাজারে। শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, মগবাজার, সেগুনবাগিচা বাজার ও মানিকনগর বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের মূল্য আগের সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ২০ টাকা। একইভাবে কমেছে চাল, ডাল, সয়াবিন ও পাম তেলের মূল্য। কমেছে ময়দার মূল্যও। পাশাপাশি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া এলাচের মূল্য এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা।
ডালের বাজারেও খানিকটা স্বস্তি মিলছে ক্রেতাদের। মানিকনগর এলাকার বাসিন্দা কিবরিয়া মোল্লা বলেন, ‘১৫ দিন আগে যে মোটা দানার ডাল ৭০ টাকায় কিনেছিলাম, আজ সেই ডাল ৬৫ টাকা কেজি দরে কিনেছি।’
ব্যবসায়ীরাও বলছেন, মোটা দানা ও মাঝারি দানার ডাল কেজিতে অন্তত ৫ টাকা কমেছে। খোলা সয়াবিন তেল ও খোলা পাম তেলের মূল্য কমেছে কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা। খোলা ময়দার মূল্যও কেজিতে ২ টাকা কমেছে। এছাড়া, যে এলাচের মূল্য গত সপ্তাহে ৪ হাজার ৩০০ টাকা কেজি ছিল, সেই এলাচের কেজি শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আমদানি করা রসুন, আদা ও দারুচিনির মূল্য বেড়েছে। এই তিনটি পণ্যের অধিকাংশই আসে চীন থেকে। খুচরা বাজারে রসুনের কেজি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, শুক্রবার আমদানি করা প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি চীনা আদা ১৫০ টাকা ছিল। আদার কেজি এখন মানভেদে ১১৫ টাকা থেকে ১৮০ টাকা। কাওরান বাজারে নতুন আদা বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১২০ টাকায়।
বাজারে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা। আমদানি করা ছোট পেঁয়াজ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং বড় তুরস্ক ও মিসরীয় পেঁয়াজ ৭০ থেকে ১০০ টাকা। শুকনো মরিচ প্রতিকেজি ২৪০ থেকে ৪০০ টাকা। হলুদ প্রতি কেজি ২০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকায় উঠেছে। নতুন করে বেড়েছে দারুচিনির মূল্য। কেজিপ্রতিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে দারুচিনি এখন ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, সবজির মূল্য কিছুটা কমেছে। মাঝারি আকারের একটি ফুলকপি ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক কেজি ভালো টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা এবং মুলা প্রতিকেজি ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজরের দাম। ভালো মানের শিমের কেজি ৩০-৪০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা। নতুন গোল আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৪০-৫০ টাকা, মাঝারি আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা পিস।

LEAVE A REPLY