খুলনায় জ্বর-শ্বাসকষ্টে মৃত্যু, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি করোনা!

54

কল্যাণ ডেস্ক : চিকিৎসাধীন অবস্থায় জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত এক রোগীর (৪৫) মৃত্যু হয়েছে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে । মৃত ওই রোগী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ। এমনকি ওই রোগী সম্পর্কে খুলনা মেডিক্যাল কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপ্যাল, বিএমএ (বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন) খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মেহেদী নেওয়াজ তার ফেসবুক পেইজে একটি স্টাটাস দেন। তাতেও তিনি ওই রোগী করোনাভাইরাস আক্রান্ত বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। ওই রোগীর বাড়ি মহানগরীর হেলাতলা এলাকায়।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে ওই রোগী মারা যায় বলে সাংবাদিকদের খুমেক হাসপাতালের পরিচালক নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ওই রোগী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন এবং এই একই আইসিইউতে করোনা আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যু হয়েছিল।

খুমেক-এর ভাইস-প্রিন্সিপ্যাল ডা. মেহেদী নেওয়াজ তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ওই রোগী মডার্ন হাসপাতালে থাইরয়েড অপারেশন করিয়েছিল। তাকে যে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল, সেই আইসিইউতে করোনা আক্রান্ত এক রোগী ছিল। তিনি ওই রোগীর করোনা সংক্রমণ হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এই অবস্থায় ওই রোগীর সংস্পর্শে যেসব চিকিৎসক, নার্স গিয়েছিলেন তাদেরকে আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে খুমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে দুই নারীকে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দিনগত রাত দুটোয় তাদের ভর্তি করা হয়। এরা খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বাসিন্দা।

বুধবার রাতে জ্বর অবস্থায় এক নারী তার বান্ধবীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার লক্ষণ দেখে চিকিৎসকরা বান্ধবীসহ তাকে করোনা ইউনিটে আইসোলেশনে রেখেছেন। যেহেতু তারা একত্রে এসেছে তাই দুজনকেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সিনিয়র চিকিৎসকরা তাদের পর্যবেক্ষণ করছেন। তাদের অবস্থা এখনও ভালো আছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে একজন পুলিশ সদস্য ও তার বাবাকে আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি পুলিশ সদস্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পুলিশ লাইনের কনস্টেবল। তার বাবাকেও হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তারা মাগুরা সদর উপজেলার কাপাশাটি গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ সদস্য এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হওয়া প্রথম রোগী। তারা সুস্থ আছেন বলে ওই ইউনিটের চিকিৎসক ডা. শৈলেন্দ্রনাথ জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY