যশোরে শ্রমিক নেতা গুলিবিদ্ধের ঘটনায় চোর বিল্লালসহ চারজনের নামে মামলা

0
77
বিল্লাল হোসেন

কল্যাণ রিপোর্ট : যশোর শহরের বকচর হুশতলায় মোটর শ্রমিক ইমদাদুল হক ওরফে ইমাদুল গুলিবিদ্ধের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। শনিবার কোতয়ালি থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনের নামে মামলা করেছেন ইমাদুলের ভাই শেখ রেজাউল করিম।

আসামিরা হলেন-বকচর হুশতলা এলাকার তানিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া বিল্লাল হোসেন ওরফে চোর বিল্লাল (৩৫), মৃত নুরুল ইসলাম পাটেয়ারীর তিন ছেলে লিটন পাটোয়ারী (৩০), নজরুল ইসলাম ওরফে বাবলু পাটোয়ারী (৪৫) ও সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী (২৮)।
বাদীর দাবি, আসামিরা ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য এবং চোরাই গাড়ি কেনাবেচা সিন্ডিকেটের সদস্য। ওই এলাকার মটর শ্রমিক নেতা মিন্টু গাজী প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে বেড়াই। হুশতলা মাঠপাড়া মেহগুনি বাগানে নিয়োমিত জুয়ার আসর বসিয়ে থাকে। একের পর এক অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে বেড়ানোর ফলে ইমাদুল নিষেধ করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয় মিন্টু গাজীসহ আসামিরা ইমাদুলকে ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করে।
গত ৪ মে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ইমাদুল পায়ে হেটে বাড়িতে ফিরছিলেন। সে সময় কপোতক্ষ চুক্ষু হাসপাতালে সামনে কপোতাক্ষ আবাসিক প্রকল্পের গেটের কাছে কামরুলের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে আসামিরা তাকে ঘিরে ধরে। বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে প্রথমে মারপিট করে। সে সময় আসামি চোর বিল্লাল একটি
পিস্তুল উচিয়ে ইমাদুলকে লক্ষ্য করে একটি গুলি ছোড়ে। ইমাদুল হাতে দিয়ে গুলি ঠেকাতে গেলে তার হাতে তালু ভেদ করে গুলিটি ইমাদুলকে ধরে রাখা মিন্টু গাজীর গায়ে লাগে। সে সময় আরো একটি গুলি করলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে মিন্টু গাজীর পেটে বিদ্ধ হয়। পরে তাকে ফের মারপিট এবং কুপিয়ে জখন করে হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পরে আশেপাশের লোকজন ইমাদুলকে উদ্ধার করে যশোরে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

LEAVE A REPLY