রমজানুল মোবারক

0
45

মুহাদ্দিস শাফিউর রহমান আফসারী
আল্লাহতায়ালা রোজাদারদের জন্য যে জান্নাতের খোশখবর দিয়েছেন ঐ জান্নাতটির পবিত্র দরজা হলো রাইয়্যন। যা শুধু রোজাদারদের জন্যই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। আমরা যদি উপযুক্ত সম্মান দিয়ে মাহে রমজানকে বরণ করে নিতে পারি। রমজানের পবিত্রতা আমরা যে কোন মূল্যে সংরক্ষন করতে পারি এবং আল্লাহর দয়ার আশা থেকে নিরাশ না হয়ে আল্লাহর রহমতের আশা নিয়ে প্রকৃত রোজা রাখতে পারি তবেই আল্লাহ তায়ালা দান করবেন সেই মহা জান্নাত। আর রোজাদার দের জন্য আল্লাহর ঐ জান্নাতে পূরষ্কার থাকবে মহান আল্লাহ তায়ারা নিজে প্রকৃতপক্ষে মাহে রমজানের পবিত্রতা ও গাম্ভির্যতা রক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানেরই দায়িত্ব। আল্লাহর নবী (স:) রমজানের মাস আসলে খুব বেশী করে ইবাদতে মশগুল থাকতেন। আল্লাহর রাসুল (স:) আরো এরশাদ করেন ,রমজান মাসের আমলকে আল্লাহ তায়ালা দশ গুন থেকে সাত শত গুন বৃদ্ধি করে থাকেন। একটি হাদিসে রাসুল (স:) এরশাদ করেন,আল্লাহ তায়ালা বনী আদমের নেক আমলকে সাত শত গুন পর্যš বৃদ্ধি করেন কিন্তু রমজান তার ব্যতিক্রম কেননা রমজান সম্পর্কে আল্লাহ তাযালা এরশাদ করেন ,রোজা শুধু আমার জন্য আর আমিই রোজা দারের পুরস্কার দান করব। হাদিসে আরো এরশাদ করা হয়েছে ,রোজাদারের পুরষ্কার আমি আল্লাহ তায়ারা নিজ হাতে দান করব। উক্ত হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসুলকে জানিয়ে দিয়েছেন ,হে রাসুল (স:) আপনি আপনার উম্মতকে জানিয়ে দিন,আপনার রোজাদার উম্মতদের জন্য পূরষ্কার আমি আল্লাহ তায়ালা নিজেই। অর্থাৎ রোজাদার বান্দার জন্য আল্লাহই পুরষ্কার। আর রমজান হলো আল্লাহর অসংখ্য নেয়ামতে ধন্য ও রহমত,বরকত ও মাগফিরাতের বাণীতে শিক্ত । আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন,রোজা একজন রোজাদারকে তাকওয়ার বা খোদাভীরু তার পথে অগ্রসর করতে পারে যদি উক্ত রোজাদার রোজার হক আদায় করে রোজা পালন করতে পারে।পবিত্র রমজান আমাদের মাঝে আসলে সমাজ জীবনেও একটা পবিত্রতার ছোয়া দেখা যায়। মাহে রমজান আসলে আমরা আল্লাহর ইবাদতে বেশী করে মাশগুল থাকি এবং আল্লাহর ভয়ে সকল প্রকার গোনাহ থেকে আমরা যথাসাধ্য বিরত থাকি। আমাদের সর্বদা মনে রাখতে হবে রোজা আমাদের জন্য একটা মহা নেয়ামত। আর আল্লাহর দেয়া এই মহা নেয়ামতকে আমাদের অবশ্যই এই মাহে রমজানে কাজে লাগাতে হবে।

LEAVE A REPLY