বি-র বি-র

0
147

……………………..কাজী বর্ণ উত্তম

আ রে ভাই, আপনি যা বলেন,
ও ই দিয়ে, রাজনীতি হয় না,
হাত টা সদা, তৈরি রাখুন,
ধরতে হবে পা,
পা ই রাজা, পা ই আপন জন।

আদর্শ না কি বলে, ও টা কে,
পাবলিক লাইব্রেরি তে খুজুন,
দেখবেন যে য়ে, পড়েছে ধুলো,
ও র খোঁজ, প-রে-নি কতদিন?
নেই কোন নাম, রেজিস্ট্রার খাতায়,
চিন্তিত মাথায়, কতদিন? কতদিন?

আ রে ভাই বঙ্গবন্ধু, আদর্শ আদর্শ করে ম রে ছে,
চোরের খনি ছাড়া পেয়েছিল কি?
চিন্তিত মগ্নে পথের শেষে পৌছিলেন লাইব্রেরী তে,
ক্লান্ত দেহে উদভ্রান্ত মনে,
লাইব্রেরির, এ মাথা থেকে ও মাথা তে।
সন্ধানু চোখে হাটছেন আপন মনে,
বুড়ো আঙুলের চোট পেয়ে,
বসে পড়লেন লাইব্রেরির কোনে।

চোখের জল সামলাতে সামলাতে,
বি-র বি-র করলেন আপন মনে –
” ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত, পাঠায়েছ বারে বারে
দয়াহীন সংসারে,
তারা বলে গেল ‘ক্ষমা করো সবে’, বলে গেল ……
বরণীয় তারা, স্মরণীয় তারা, তবুও বাহির-দ্বারে
আজি দুর্দিনে ফিরানু তাদের ব্যর্থ নমস্কারে।……
আমি-যে দেখেছি প্রতিকারহীন শক্তের অপরাধে
বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে
আমি-যে দেখিনু তরুণ বালক উন্মাদ হয়ে ছুটে
কী যন্ত্রণায় মরেছে পাথরে নিষ্ফল মাথা কুটে।
কণ্ঠ আমার রুদ্ধ আজিকে, বাঁশি সংগীতহারা ……”
হটাৎ, থেমে গেলো বি-র বি-র,
দূর থেকে, ভেসে এলো কানে,
সেহরির সময় হল, উঠুন উঠুন সকলে।

আবারও আপন মনে, বি-র বি-র,
করোনায়, ভাঙছে বাংলাদেশের শিরদাঁড়া?
ক্ষুদ্র মাঝারি মানুষ গুলোর, বেহাল দশা,
কোষাগার থেকে দুস্ত জনের, এক মাসে এতো কড়ি ,
রাজার ভান্ডার খালি হতে কতক্ষণ,
কে যেন বলছে, বেতন পাচ্ছে না প্রবাসি কর্মি রা ,
কে যেন বলছে ভর্তি নিচ্ছে না, করোনা রোগী রে।
না মানা কোয়ারান্টাইন,আশংকা যে মহামারির,
সামলাতে পারবে তো অর্থের চাকা।
এবার আবারও কানে এলো,
সেহরির সময় আর মাত্র পনের মিনিট।
ঝট পট উঠে পড়লেন, নামাজে প্রার্থনা,
হে আল্লাহ, হে সৃষ্টি কর্তা, ক্ষমা করো ক্ষমা করো,
ভালোবাস তে শেখা ও, তোমার শ্রেষ্ঠ জীবকে,
আবারও বল, আবারও বল…..।।

(রবিঠাকুরের -প্রশ্ন কবিতা থেকে কয়েকটি লাইন এখানে আছে)

LEAVE A REPLY