“ধ্বংস যজ্ঞের আড়ালেই আলো “

0
105

কাজী বর্ণ উত্তম…………………

উত্তরাধিকার সূত্রে পেলাম

সলিল চৌধুরীর এক গুচ্ছো চাবি,

সলিল চৌধুরীর লিখে গেছেন

ওই এক গুচ্ছো চাবি দিয়ে

সে জীবনের কোন তালায় খুলতে পারেনি।

 

সলিল চৌধুরীর  মা’য়ের বক্তব্য অনুসারে

পারেনি সলিল চৌধুরীর বাবা এমন কি তার বাবা ও।

আর এক গুচ্ছো চাবি টি হচ্ছে

সততার সত্যের যুক্তির নিষ্ঠার।

 

সততার সত্যের যুক্তির নিষ্ঠার

এই এক গুচ্ছো চাবি দিয়ে

আমরাও খুলতে পারছি না

জীবনের চলার পথের কোন তালা।

 

পৃথিবী উনিশ শতকে মুখোমুখি হয়েছিল

দুই দুই টা বিশ্ব যুদ্ধের, মুখোমুখি হয়েছিল

অসংখ্য রোগ বালাই মহামারির,

ধ্বংস যজ্ঞ রোগ বালাই মহামারি থেকে উপলব্ধি

সৃষ্টি করতে পেরেছিল বিশ্ব ময় কিছু আলোকিত মানুষের।

 

যে আলোয় মানুষ ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হতে পেরেছিল,

উৎসর্গ করেছিল মানব কল্যাণে।

এরপর সভ্যতাকে যেমন পিছনে তাকাতে হয়নি

মুখোমুখি ও হতে হয়নি বিশ্ব ব্যাপি যুদ্ধের বা মহামারি রোগ বালাইয়ের।

 

করোনা ভাইরাস তুমি কত প্রাণের বিনিময়ে থামবে

সময়ে সেটা জানা যাবে,

আজ শত বছর পরে বিশ ব্যাপি উৎকন্ঠা উৎবেগ,

যা মানব মননে ছাপের চিহ্ন রেখে গেলো।

যে চিহ্ন আশার আলো জাগাচ্ছে, সৃষ্টি করবে বিশ্ব ময় এক গুচ্ছো আলোকিত মানুষের,

যে আলোয় আবারও আলোময় হবে পৃথিবী

সভ্যতা এগিয়ে যাবে আরও এক ধাপ নতুন দিগন্তে।

 

হয়তো আবারও একশো বছর পর

আমার মত কেউ লিখবে,

সততার সত্যের যুক্তির নিষ্ঠার

এই এক গুচ্ছো চাবি দিয়ে

জীবনের কোন তালায় খুচ্ছে না।

আবারও প্রয়োজন হবে

পুরা বিশ্ব কে নাড়া দেওয়ার মত কোন ধ্বংস যজ্ঞের।

যে ধ্বংস স্তূপের উপর আবারও গড়ে উঠবে

বিবর্তনের নতুন সভ্যতা, ইতিহাস সেই কথায় বলে।।

LEAVE A REPLY