‘প্রতিবাদের শ্লোগান মুখে ধর্ষকদের দাঁড়াও রুখে’

0
26
যুব মহিলা আওয়ামী লীগ যশোর সদর উপজেলা শাখার মানববন্ধন

কল্যাণ রিপোর্ট : নোয়াখালীতে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনসহ সারা দেশে অব্যাহত নারী ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনায় যশোরে বিক্ষোভ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বলছেন, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া হয়। এতে করে দোষী ব্যক্তিরা বারবার এমন ঘটনা ঘটায়। ধর্ষক ও তাদের ধর্ষকদের পৃষ্ঠপোষকদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শহরের দড়াটানা মোড়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ধর্ষণকারীদের ফাঁসির দাবিতে শ্লোগান ও বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থীরা।

শহরের দড়াটানা মোড়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা

সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে কয়েকশ’ শিক্ষার্থী ব্যানার,ফেস্টুন ও প্লাকার্ড নিয়ে রাজপথে নামেন শিক্ষার্থীরা। তাতে লেখা ছিল ‘কাপুরুষ বদলে যাও,ধর্ষক নয়-পুরুষ হও’,‘থু ধর্ষক থু’,‘এক দুই তিন চার-ধর্ষক তুই দেশ ছাড়’,‘তোমার আমার বাংলায়-ধর্ষকদের ঠাঁই নাই’, ইত্যাদি। প্রায় এক ঘন্টা অবস্থানকালে দড়াটানা মোড়ে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে তোলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। ‘একাত্তরের বাংলায় ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘প্রতিরোধের আগুন বুকে, ধর্ষকদের দাঁড়াও রুখে’, ‘প্রতিবাদেও স্লোগান মুখে, ধর্ষকদের দাঁড়াও রুখে’, ‘প্রীতিলতার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘ইলা মিত্রের বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’, ‘পাড়া-মহল্লা থেকে ধর্ষকদের বয়কট কর, বয়কট কর’ প্রভৃতি।
পরে শিক্ষার্থীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অপর দিকে, প্রেসক্লাব যশোরের সামনে পর্যালক্রমে কয়েকটি সংগঠন মানববন্ধন করে।

বিভিন্ন সংগঠনের মানববন্ধন

ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা, বিভিন্ন সংগঠন। কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনগুলো-নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চ যশোর, শিক্ষার্থীদের টিফিনের টাকায় পরিচালিত সংগঠন ঐক্য-বন্ধন,মহিলা আওয়ামী লীগ যশোর শহর শাখা ও সদর উপজেলা শাখা,যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীজোট যশোর,যশোর কমিউনিটি।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিক; কিন্তু এখনো এ দেশে নারীরা স্বাধীন হয়নি। তাই আজ তারা ঘরে-বাইরে ধর্ষণ-নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কোথাও তাদের নিরাপত্তা নেই।

LEAVE A REPLY