দুর্দান্ত লড়াই করে মুশফিকদের হারাল রাজশাহী

19

ক্রীড়া ডেস্ক : বড় তারকা নেই। অভিজ্ঞ ক্রিকেটার নেই। প্রথম ড্রাফটে দলে নেওয়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ইনজুরিতে। মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী তাই আসরের বাজির ঘোড়া। বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তারাই বাজিমাত করেছে। পাঁচ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু কাপের শক্তিশালী দল মুশফিকের বেক্সিমকো ঢাকাকে হারিয়েছে ২ রানে। দুর্দান্ত লড়াই করে দারুণ জয়ে অসাধারণ শুরু করেছে রাজশাহী।
ব্যাট হাতে যেমন তেমনি বল হাতে দারুণ করেছেন রাজশাহীর স্পিন অলরাউন্ডার মাহেদি হাসান। শেষ ওভারে ঢাকার জয়ের জন্য দরকার ছিল মাত্র ৯ রান। মাহেদি হাসান দেন মাত্র ৬ রান। শেষ বলে মুশফিকের দলের দরকার ছিল ৪ রান। মাহেদির বল থেকে মুকতার আলী নিতে পারেন মাত্র ১ রান। এর আগে ব্যাট হাতে দলের বিপদে মাহেদি করেন ৩২ বলে ৫০ রান। বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচায় তিনি নিয়েছেন ১ উইকেট। হয়েছেন ম্যাচ সেরা।
শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য ৩৬ রান দরকার ছিল ঢাকার। ১৮তম ওভারে পেসার ইবাদত হোসেন দেন মাত্র ৬ রান। তুলে নেন মুশফিককে। কিন্তু ১৯তম ওভারে ফরহান রেজা তিন ছক্কা খান মুক্তার আলীর কাছে। ওই ওভারে ফরহাদ রেজা দেন ২১ রান। অথচ মুক্তারই শেষ ওভারে নিতে পারেননি ৯ রান। একটি নো বল দেওয়ার পরও তুলতে পারেননি ব্যাট।
এর আগে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে নাজমুলের দল করে ৯ উইকেটে ১৬৯ রান। দলের হয়ে ওপেনার নাজমুল শান্ত ১৭ এবং অন্য ওপেনার আনিসুল ইমন করেন ৩৫ রান। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়লে তা সামাল দেন মাহেদি এবং নুরুল হাসান সোহান। মাহেদির ফিফটির সঙ্গে নুরুল করেন ৩৯ রান। দু’জন জুঁটি গড়েন ৮৯ রানের।
জবাব দিতে নামা মুশফিকের বেক্সিমকো ঢাকা পরিকল্পনা অনুযায়ী শুরু পায়। মিডল অর্ডারেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ঢাকার হাতে। কিন্তু ফিনিশিং দিতে পারেনি তারা। ঢাকার ওপেনার তানজিদ তামিম ১১ বলে ১৮ করে আউট হন। তিনে নেমে নাঈম শেখ করেন ২৬ রান। এরপর মুশফিক এবং আকবর আলী ৭১ রানের জুটি গড়েন। দু’জনে করেন যথাক্রমে ৩৪ বলে ৪১ ও ২৯ বলে ৩৪ রান। ১৮তম ওভারে এবাদতের বলে মুশফিকের ফেরাটাই কাল হয় ঢাকার। ১৭ বলে ২৭ করেও অভিজ্ঞতার অভাবে দলকে তাই জেতাতে তাই পারেননি মুক্তার আলী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here