তবুও অচেনা

0
22

বেবি নাসরিন

তোমাকে দেখিনি নয়নে কিংবা অনুভবে।
শুধু লোকমুখে শুনেছি তোমার কাহিনি।
হঠাৎ কোনো ক্ষনে হিৎস্পন্দন আন্দলিত এপার থেকে ওপারে।
সুমদ্র তরঙ্গ লহরির মতো ভেসে গেল রিদয়ের অলিন্দ নিলয়।
তারপর ক্ষনে অনুক্ষনে সুতিব্র ঘুমের লগনে জাগল পাখির নিড়ের মতো প্রেম।
অতপর দুজনে অচেনা তারপর অচেনা তবুও অচেনা।

নক্ষত্রের আলোতে পথ দেখে চলে গেছে কত বসন্ত।
বেল ফুলের গন্ধে ভেসে গেছে কত শ্রাবন ধারার সন্ধ্যা,
জির্নচোখে গেছে কত প্রতিক্ষার শতাব্দী পার কেবল গোলাপ সাক্ষি,
গ্যালিলিয়োর মতো কিংবা কল্মবাসের মতো একদিন আবিস্কার হলে
কবে যে হয়ে উঠলে আমার মৌনোমনে ক্ষনে ক্ষনে প্রেমি।
তারপর দুজনে অচেনা অতপর অচেনা তবুও অচেনা।

কখনো তুমি দুর পন্চমী জোৎস্না হয়তোবা প্রথম সকালের আবাহন।
সংকির্ন হৃদয়ে দিলে সুমদ্রের মতো গভিরতা
কত যুগ গেল চলে কত সভ্যতার পারে দিন্তান্তের অন্তিম লগনে।
আজও জোস্নার মতো প্রেম স্পন্দিত হয় অন্তর কিনারে,
নবপস্তুর যুগ কিংবা ব্যবিলন পেরিয়ে আজও বিংশশতাব্দীর পারে।
তারপর দুজনে অচেনা অতপর অচেনা তবুও অচেনা।

গভীর অন্ধকার ঝিল্লিরা কন্ঠে তুলেছে সুর সারগাম,
বিপন্ন রিদয়ে আনলে সবুজের নিরজাস ঝর্নার সুরোবীনা,
শেষ বিকলের কমলা আলো করে আয়োজন বিদায় বেলার ;
তোমার মন হয়তো দুর নিহারিকা কিংবা দুর ছায়াপথ,
প্রতির দুয়ার খুলে দেখি আজও তুমিই সেই লাবন্য প্রেমি,
তারপর দুজনে অচেনা অতপর অচেনা তবুও অচেনা।

এখনো পাখির চোখের মতো প্রেম আছে জেগে অলিন্দ নিলয়ে।
সেই অস্তাচলের পাখি আর ফেরেনি সে বসন্তে
শুধু নিরবতা রেখেছে যতনে হৃদয়ের চারপাসে,
তারপর দুজনে অচেনা অতপর অচেনা তবুও অচেনা।

LEAVE A REPLY