আসামি ধরতে পুলিশের বৈজ্ঞানিক কৌশল

16

“আসল ও জাল দলিল শনাক্তকরণে এই আলোক রশ্মি ব্যবহৃত হয়। এমনকি কোনো দলিলে লেখা যান্ত্রিক উপায়ে মুছে ফেলা হলেও অতিবেগুনি আলোক রশ্মির মাধ্যমে তা শনাক্ত করা সম্ভব। জাল ব্যাংকনোট, জাল স্ট্যাম্প চেকও আজকাল এই পদ্ধতিতে শনাক্ত করা হচ্ছে”

শেখ আনোয়ার
সভ্যতার অগ্রবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে অপরাধের ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। বাংলাদেশ পুলিশের তদন্তকাজে আসামি ধরতে একসময় সোর্স বা তথ্যদাতার ওপর নির্ভরশীল থাকতে হতো। এখন সেই পন্থা থেকে অনেকটাই এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ পুলিশ। অপরাধী শনাক্তকরণ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহে বাংলাদেশ পুলিশ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি বিজ্ঞান-প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক। আর এসব পরিবর্তিত অপরাধের বিষয়ে শনাক্তকরণ পদ্ধতিরও পরিবর্তন ঘটেছে। বহু বছর ধরে অপরাধী শনাক্তকরণে ব্যবহৃত পদ্ধতিগুলোর (যেমন, আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের লেখা, মৃত ও জীবিত ব্যক্তি শনাক্তকরণ ও আগ্নেয়াস্ত্র শনাক্তকরণ) মধ্যে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। একজন অপরাধীকে শনাক্ত করতে এবং সে মানুষটি অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত, তা প্রমাণ করতে বিজ্ঞান প্রযুক্তির নানান বিষয় কাজে লাগাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের সুদক্ষ বিশেষজ্ঞ অপরাধ বিজ্ঞানীরা। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের সহায়তায় বহু ক্ষেত্রে আদালতে সাজাও হয়। যা কিনা অকাট্য প্রমাণ হিসেবে গ্রাহ্য হয়ে থাকে। কারণ এসবই হলো বৈজ্ঞানিক তথ্য।
আঙ্গুলের ছাপ
১৮৯১ সালে ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী স্যার গ্যালটন অপরাধ শনাক্তকরণে আঙ্গুলের ছাপ নির্ণয় পদ্ধতি প্রকাশ করেন। অপরাধ শনাক্তকরণে আঙ্গুলের ছাপ ব্যবহারের প্রধান দুটো গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো- এক. শিশুর চার থেকে ছয় মাস বয়সের মধ্যেই তার আঙ্গুলের ছাপ পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায় এবং মৃত্যুর পর দেহ পচনের পূর্ব পর্যন্ত তা আর পরিবর্তন হয় না। দুই. কখনোই দুজন মানুষের আঙ্গুলের ছাপ এক হওয়া সম্ভব নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামান্য মিল পাওয়া গেলেও দুটো আঙ্গুলের রেখা হুবহু মিলে যাওয়া সম্ভব নয় বলেই বিশেষজ্ঞরা শনাক্তকরণে তা ব্যবহার করতে পারেন। আঙ্গুলের ছাপ খালি চোখে দেখা যায় না। গ্রাফাইট, অ্যালুমিনিয়াম, স্বর্ণ বা ব্রোঞ্চের গুঁড়ো নরম ব্রাশ বা যন্ত্রের সাহায্যে বিছিয়ে দিলে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাদা ব্যতীত অন্য কোনো গাঢ় বর্ণের জিনিসের ওপর ছাপ থাকলে তা গ্রে পাউডার দিয়ে স্পষ্ট করা হয়। আর সাদা কাগজ বা টাইলস, চিনামাটির জিনিসের ওপর ছাপ পড়লে তা গ্রাফাইটের গুঁড়ো দিয়ে স্পষ্ট করা হয়। নরম মোম বা এ-জাতীয় কোনো কিছুর ওপর ছাপ পড়লে তার ওপর রোলারের মাধ্যমে কালি মাখিয়ে স্পষ্ট করা হয়।
পায়ের ছাপ
হাতের মতোই এক ব্যক্তির পায়ের ছাপের সঙ্গে অন্য ব্যক্তির পায়ের ছাপ কখনো মেলে না। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্যক্তি শনাক্তকরণে পায়ের ছাপের ব্যবহার শুরু হলেও বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসেবে চালু হয়েছে একবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে। কখনো কখনো কোনো যন্ত্র বা হাতিয়ারের সাহায্য ছাড়াই পায়ের ছাপ পরীক্ষা করে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র আবিষ্কার করা যায়। ট্রেসিং পদ্ধতিতে পায়ের ছাপ পরীক্ষার জন্য সেলুলয়েড ব্রোমাইড কাগজ হাইপো ইত্যাদি রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। ব্রোমাইড কাগজ হলো সিলভার ব্রোমাইড নামক তরল দ্রব্যের প্রলেপ দেয়া ফটো মুদ্রণে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের কাগজ। আর হাইপো হচ্ছে ফটোগ্রাফির কাজে ব্যবহৃত এক ধরনের রাসায়নিক তরল।
রক্ত গ্রুপ
আধুনিক বিশ্বের আমরা সবাই জানি মানুষের রক্তের চারটি গ্রুপ রয়েছে এবং সেগুলো হলো এ,বি,এবি,ও। রেসাস ফ্যাক্টরের ভিত্তিতে প্রত্যেকটি গ্রুপ আবার পজিটিভ ও নেগেটিভ দুই প্রকারের হয়। মানুষের রক্তের গ্রুপ কখনো বদলানো সম্ভব নয় এবং তা সারা জীবনই অপরিবর্তিত থাকে। তাই আজকাল রক্তের গ্রুপ শনাক্তকরণের মাধ্যমেও অপরাধী শনাক্ত করা হয়।
সন্দেহভাজনদের তথ্যভান্ডার
বাংলাদেশ পুলিশ এখন অনেক আধুনিক হয়েছে। জানা যায়, অপরাধী শনাক্তে বাংলাদেশ পুলিশ এখন তিনটি তথ্যভান্ডার কাজে লাগাচ্ছে। প্রায় এক যুগ ধরে কারাগারে যাওয়া সব সন্দেহভাজনেরই আঙ্গুলের ছাপ, ডিএনএ, চোখের আইরিশসহ পাঁচ ধরনের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য সংগ্রহে রাখা হচ্ছে। থানাগুলোতে যাদের নামে মামলা হচ্ছে তাদের নাম, বিস্তারিত পরিচয় ও ছবি সংগ্রহে রাখছে পুলিশ। এ ছাড়া অপরাধী বা অজ্ঞাতপরিচয় মৃতদেহ শনাক্তে ব্যবহৃত হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার। ছদ্ম পরিচয়ে থাকা কোনো ব্যক্তি গ্রেপ্তারের পরে আঙ্গুলের ছাপ দেয়ামাত্রই জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার থেকে উঠে আসছে তার আসল পরিচয়। দেশের প্রত্যন্ত এলাকার কোনো থানায়ও তার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে সেটি খুব অল্প সময়েই জানা সম্ভব হচ্ছে।
আসামী ধরার প্রযিুক্তি
মৃতদেহের মাধ্যমে অপরাধ শনাক্তকরণ
বৈজ্ঞানিক উপায়ে মৃতদেহের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অপরাধটি কী ধরনের ছিল, তা শনাক্ত করা হয়। মৃতদেহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যবেক্ষণ করে বিশেষজ্ঞরা অনেক সূত্র আবিষ্কার করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে বাহ্যিক আঘাত ও রক্তের দাগ, ময়নাতদন্ত ইত্যাদি। শুধু কঙ্কাল পরীক্ষা করেও অনেক তথ্য জানা সম্ভব। আমরা জানি প্রতিটি মানুষের দেহে মোট ২০৬টি অস্থি থাকে। কিন্তু সব মানুষের অস্থি এক রকম নয়। এসব অস্থি পরীক্ষা করে কঙ্কালটি নারী না পুরুষের, তা কী জাতীয় অস্ত্রের আঘাত পেয়ে মৃত্যু হয়েছে, এসব জানা যায়। দাঁত পরীক্ষার মাধমে কোনো মাদকদ্রব্য বা বিষ জাতীয় দ্রব্য পান করা হয়েছে কি না, তা জানা যায়।
ডিএনএ বিশ্লেষণ
ডিএনএ বা ‘ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিয়িক অ্যাসিড’ পরীক্ষা হলো একটি অত্যাধুনিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোষের মধ্যে অবস্থিত ডিএনএ বিশ্লেষণ করে কোনো মানুষের একটি প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়। যে প্রতিকৃতি তাকে ভবিষ্যতে সঠিকভাবে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে। প্রতিটি মানুষের আঙ্গুলের ছাপের যেমন স্বাতন্ত্র্য থাকে, তেমনি তার কোষস্থ ডিএনএর গঠন ভঙ্গিতেও স্বাতন্ত্রতা দেখা যায়। এই ডিএনএ আলামত সংগ্রহ ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিশ্লেষণে বাংলাদেশ পুলিশ অনেক বেশি সক্রিয় ও সক্ষম। ঘটনাস্থল থেকে শারীরবৃত্তীয় আলামত, যেমন- রক্ত, বীর্য, লালা বা অন্যান্য উপাদান সংগ্রহের উপকরণ ও কৌশল এখন থানা পর্যায়েও ছড়িয়ে গেছে। ফলে ঘটনা উদ্ঘাটনে এখন ফরেনসিক ও বায়োমেট্রিক আলামতের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডির পরীক্ষাগারের এসব আলামত বিশ্লেষণের ব্যাপক সক্ষমতা রয়েছে।
আগ্নেয়াস্ত্র
একই অস্ত্র একই মডেল হওয়া সত্ত্বেও দুটো আগ্নেয়াস্ত্র হুবহু এক হওয়া সম্ভব নয়। আপাতদৃষ্টিতে একই রকম মনে হলেও বৈজ্ঞানিক উপায়ে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এসব অস্ত্রের মধ্যে কিছু পার্থক্য অবশ্যই ধরা পড়ে যায়। একাধিক বন্দুক থেকে গুলি ছোড়া হলে সবগুলো কার্তুজের ওপরই ছাপ পড়ে। তবে কখনোই একই রকম দুটো ছাপ হবে না। একইভাবে রাইফেলের ব্যারেল দিয়ে বুলেট বের হওয়ার সময় বুলেটের ওপর ওই ব্যারেলের আকৃতি ও আয়তনের ছাপ পড়ে এবং একই ব্যারেল দিয়ে নির্গত সব বুলেটের গায়ে একই রকম দাগ পড়ে। তবে ভিন্ন ব্যারেল থেকে নির্গত বুলেটের দাগ কখনোই এক হওয়া সম্ভব নয়। আবার গুলি চালনা করা হলে বন্দুকের ব্যারেলের ভেতরে সালফাইড, সালফেট, থায়োসালফেট, গলিত বা গুঁড়া লোহা ইত্যাদির চিহ্ন পড়ে। এ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি দিয়ে গুলি করা হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে আনুমানিক কত সময় আগে তা করা হয়েছে- এসব বিষয় স্পষ্ট শনাক্ত করা যায়।
রোবট ও ড্রোন প্রযুক্তি
বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গিদের বোমা উদ্ধার কাজ, বোমা অপসারণ কাজে যুক্ত করেছে নানান অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। এ ছাড়াও সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ যন্ত্রপাতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুটো অত্যাধুনিক রোবট। দূরনিয়ন্ত্রিত রোবটগুলো বোমা খুঁজে বের করা, নিষ্ক্রিয় করা থেকে শুরু করে দেওয়াল ভাঙা, সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার মতো কাজও করতে পারে। স্পর্শকাতর কোনো স্থানের নজরদারিতে বাংলাদেশ পুলিশ এখন হেলিকপ্টার এবং ড্রোনও ব্যবহার করছে।
অতিবেগুনি আলোক রশ্মির ব্যবহার
বিভিন্ন ধরনের আলোক রশ্মির সাহায্যে নানা ধরনের বৈজ্ঞানিক কাজ করা হচ্ছে আজকাল। অন্যান্য কাজের মতো অপরাধ শনাক্তকরণেও এসব আলোক রশ্মি ব্যবহার করা হয়। অতিবেগুনি আলোক রশ্মিতে কাগজ বা দলিলপত্র পরীক্ষা করে কাগজের স্বাতন্ত্র্য নির্ণয় করা যায়। অর্থাৎ আসল ও জাল দলিল শনাক্তকরণে এই আলোক রশ্মি ব্যবহৃত হয়। এমনকি কোনো দলিলে লেখা যান্ত্রিক উপায়ে মুছে ফেলা হলেও অতিবেগুনি আলোক রশ্মির মাধ্যমে তা শনাক্ত করা সম্ভব। জাল ব্যাংকনোট, জাল স্ট্যাম্প চেকও আজকাল এই পদ্ধতিতে শনাক্ত করা হচ্ছে। রক্তের দাগ পরীক্ষা করতেও বর্তমানে অতিবেগুনি আলোক রশ্মি ব্যবহৃত হচ্ছে। খাবারে ও ওষুধে ভেজাল থাকলে তা এই রশ্মির সাহায্যে নির্ণয় করা হয়। দামি পাথর যেমন হীরা ও মুক্তা আসল না নকল, তা-ও নির্ণয় করা হয় অতিবেগুনি আলোক রশ্মির মাধ্যমে।
ফটো মাইক্রোস্কপির ব্যবহার
ফটো মাইক্রোস্কপি হলো মাইক্রোস্কোপ বা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে ফটো তুলে বিভিন্ন বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করা। দুই বা ততোধিক কার্টিজ কেস বা বুলেট একই বন্দুক থেকে ছোড়া হয়েছে কি না, তা এই পদ্ধতিতে নির্ণয় করা হয়।
অবলোহিত রশ্মির ব্যবহার
অবলোহিত রশ্মির সাহায্যে একাধিক বস্তু বা দ্রব্যের আলোকচিত্র গ্রহণ করে সেগুলোর সঙ্গে সাদৃশ্য- বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করা হয়।
রেডিওগ্রাফির ব্যবহার
এক্স-রের সাহায্যে আলোকচিত্র গ্রহণ করা হলে তাকে রেডিওগ্রাফি বলে। অপরাধী এবং অপরাধ শনাক্তকরণে বর্তমানে রেডিওগ্রাফির ভূমিকা অনস্বীকার্য। মুখবন্ধ প্যাকিংয়ের ভেতরে বিস্ফোরক দ্রব্য রয়েছে কি না, তা নির্ণয় করা হয় রেডিওগ্রাফির সাহায্যে। বিমানবন্দরে আইনের চোখে ধুলো দিয়ে কেউ স্বর্ণলংকার বা অন্য কোনো শক্ত বস্তু পেটে করে কিংবা গোপনাঙ্গে বহন করতে গেলে তা রেডিওগ্রাফির মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।
বাংলাদেশে অন্য সবকিছুর উন্নয়নের মতোই বিজ্ঞান-প্রযুক্তির অগ্রগতি ও ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় আসামি ধরতে, অপরাধী শনাক্তকরণের পদ্ধতিতেও যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। বিচারব্যবস্থা আরও উন্নত আরও স্বচ্ছ ও সময়সাশ্রয়ী করতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তির কৌশলের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন কোথাও কোনো অপরাধ ঘটামাত্রই ওই এলাকায় স্থাপিত ওয়াই-ফাই সিসি ক্যামেরা, অপরাধীর ব্যবহৃত মুঠোফোনের কল ও এসএমএস আদান-প্রদানের প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করছে বাংলাদেশ পুলিশের সুদক্ষ টিম। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষা, রাসায়নিক পরীক্ষা, ব্যক্তির বায়োমেট্রিক তথ্য, দূরনিয়ন্ত্রিত রোবটের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সূত্রবিহীন ঘটনার তদন্তে বেরিয়ে আসছে অপরাধীরা। বাংলাদেশে অপরাধ সম্পর্কিত বিচারব্যবস্থায় উন্নতি সাধিত হয়েছে অপরাধী ধরার এসব বিজ্ঞান কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে।
লেখক : বিজ্ঞান লেখক ও গবেষক, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here