“আহসানা মুস্তারী ও রবিউল হক সারাজীবন মানুষের হৃদয়ে অবস্থান করবেন”

33

কল্যাণ রিপোর্ট : বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ যশোর জেলা কমিটির “প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক আহ্সানা মুস্তারীর ১২তম মৃত্যুবাষির্কী’ এবং সাতক্ষীরা জেলা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক প্রয়াত তৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং যশোর জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য এর মাতা ‘শিখা ঘোষালের ৭ম তম মৃত্যুবাষির্কী”
মঙ্গলবার যশোর জেলা শাখা কার্যালয়ে এক স্মরণসভা ও সম্মনানা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্মরণসভায় আহ্সানা মুস্তারীর স্মরণে “আহ্সানা মুস্তারী স্মারক” প্রদান করা হয় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ যশোর জেলা কমিটির সদস্য খুরশীদা জাহান খাঁন-কে এবং শিখা ঘোষাল স্মারণে একটি “সেলাই মেশিন” প্রদান করে জেলা কমিটির সদস্য উম্মে মাকসুদা মাসু স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সভাপতি আফরোজা শিরিন।
বক্তব্য রাখেন-বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাবিবা শেফা, জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য,যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি ও দৈনিক কল্যাণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা একরাম-উদ-দ্দৌলা, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী যশোরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুর রহমান মজনু, তির্যক এর সাধারন সম্পাদক দীপংকর দাস রতন, জয়তী সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক অর্চনা বিশ^াস, উলাসী সৃজনী সংঘের নির্বাহী পরিচালক আজিজুল হক মনি, আহ্সানা মুস্তারীর ভাগ্নে কাজী খালেদ, রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিষদের সভাপতি শ্রাবনী সুর, পুনশ্চ-এর প্রতিষ্ঠাতা সুকুমার দাস, মহিলা পরিষদের আইনজীবী এ্যাড. আমিনুর রহমান হিরু, ব্যারিস্টার কাজী রেফাত রেজওয়ান সেতু, কাজী বর্ণ উত্তম প্রমুখ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা কার্যকরী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারদীনা রহমান এ্যানি।
বক্তারা বলেন-আহসানা মুস্তারী শুধু একটি নাম নয়,প্রতিষ্ঠান ছিলেন। যে তার সংস্পর্শে এসেছে গুণমুগন্ধ হয়ে জীবন গঠনের দিশা পেয়েছেন। যশোরের সমাজ, সংস্কৃতি,রাজনীতি প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল। তার পরিবার যশোরের প্রগতিশীল মানুষদের কাছে ছিল বাতিঘরের সমান। যার পিছনে আহসানা মুস্তারীর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে তার অবদানের পাশাপাশি নারী উন্নয়ন ও তাদের সামাজিক অগ্রযাত্রায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।
বক্তারা ডা: কাজী রবিউল হক এর জীবনী নিয়েও আলোচনা করেন। কমিউনিস্ট পার্টির নিদের্শে ডাঃ কাজী রবিউল হক যশোর এসেছিলেন। যশোর এসে যশোরের হাল ধরেন। এই ২ জন মানুষ যশোরের মানুষর হৃদয়ে অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে শিখা ঘোষাল যশোর মহিলা পরিষদের অফিসে নিয়মিত আসতেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি যশোর মহিলা পরিষদের কাজ করে গেছেন। নারী অধিকার আদায়ে তার সক্রিয় ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here