বিপদে আমি না যেন করি ভয়

9

“১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার রূপায়ণকে স্তব্ধ করে দেয়। কিন্তু সত্যের জয়কে প্রলম্বিত করা যায়, ঠেকিয়ে রাখা যায় না। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই। বঙ্গবন্ধু চির অম্লান”

সিমিন হোসেন রিমি
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আজ জাতীয় সংসদের মুজিব বর্ষের এই মহতী বিশেষ আয়োজনে কথা বলার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমাদের স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমাদের সময়ের মানুষের পরম সৌভাগ্য আমরা জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে নিজেরা জড়িয়ে আছি। ১০ জানুয়ারি ’৭২-এর ভাষণ শুনে এবং দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। অনন্ত শ্রদ্ধা জাতির পিতা।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশের গর্বিত মানুষ হিসেবে সকল মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জীবনপণ প্রতিজ্ঞায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। দৃঢ়তার সঙ্গে সংগঠিত করেছেন, উজ্জীবিত করেছেন এই বাংলার মানুষকে। যার ফলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের বিশাল গুণে বাংলাদেশ লাভ করে স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন সোনার বাংলার। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বৈষম্য, শোষণমুক্ত, উন্নত, সুষম বাংলাদেশের।
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, ৩০ লাখ শহীদের রক্তে ভেজা মাটি। লাখ লাখ মানুষ অবর্ণনীয় মাত্রায় নির্যাতিত, আহত গৃহহারা। সমস্ত দেশ যুদ্ধের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড। সেই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার বিশাল দায়িত্ব পালনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সদ্য স্বাধীন দেশ যখন অগ্রসরমান, তখনই দেশি, বিদেশি ষড়যন্ত্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জনের মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মাথায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয় বাংলার চিরবন্ধু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ঘাতকেরা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আদর্শ এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে হত্যা করতে। কিন্তু তারা বোঝেনি, আদর্শের মৃত্যু নেই।
আজ আমরা গর্বিত, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ নির্মিত হচ্ছে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় এবং বিচক্ষণ নেতৃত্বে। এগিয়ে চলেছে দেশ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে আজ এক বিস্ময়ের নাম। ১৬/১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। একজন মানুষও না খেয়ে থাকে না। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়, বিদ্যুতে শতভাগ, দারিদ্র্যসীমা হ্রাসকরণ, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বে নতুন মর্যাদায় অভিষিক্ত। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ থেমে থাকার নয়।
যাকে হারানোর বেদনায় আজও শোকাতুর জাতি, তিনি জয় করেছিলেন দুর্লঙ্ঘ প্রাচীর। মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা কিংবদন্তির মতো। কারাগারের বন্ধ প্রকোষ্ঠে বসে বঙ্গবন্ধু লিখে রাখেন তাঁর চিন্তাদর্শন। সরলতায় ভরা উদ্দীপ্ত সাহসী মানুষের প্রতিবিম্ব তিনি তাঁর লেখনীতে। দেশ এবং একই সঙ্গে বিশ্ব রাজনীতির গতিপ্রকৃতিও প্রবলভাবে নাড়া দেয় তাঁকে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, এর টানাপোড়েন পাকিস্তান সরকারের মনোভাব- এসব নিয়ে তাঁর ভাবনাকে লিখে রাখেন রোজনামচায়। স্বপ্নের জাল বোনেন ভবিষ্যতের।
স্বদেশের মুক্তির অনুপ্রেরণা খুঁজে পান বিশ্বের অন্য কোনো দেশের মুক্তির স্বাধীনতায়। বঙ্গবন্ধু তাঁর কারাগারের রোজনামচায় ১৪ জুলাই ১৯৬৬, লিখে রাখেন- ‘১৭৮৯ সালের ১২ জুলাই ফরাসি দেশে শুরু হয় বিপ্লব। প্যারি নগরীর জনসাধারণ সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার পতাকা হাতে সামনে এগিয়ে যায় এবং গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সূচনা করে। ১৪ জুলাই বাস্তিল কারাগার ভেঙে রাজবন্দীদের মুক্ত করে এবং রাজতন্ত্র ধ্বংস করে প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করে। ১৭৭ বছর পরেও এই দিনটি শুধু ফ্রান্সের জনসাধারণই শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপন করে না, দুনিয়ার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জনসাধারণও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তাই কারাগারে এই নির্জন কুঠিতে বসে আমি সালাম জানাই সেই আত্মত্যাগী বিপ্লবীদের, যারা প্যারি শহরে গণতন্ত্রের পতাকা উড়িয়েছিলেন। ভবিষ্যৎ দুনিয়ার মুক্তিকামী জনসাধারণ এই দিনটির কথা কোনো দিন ভুলতে পারবে না।’
বাংলার মাঠ-প্রান্তর চষে বেড়ানো বঙ্গবন্ধু মুজিব প্রকৃতিকে, মানুষকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। ২৩ জুন, ১৯৬৬, লেখেন, ‘দুপুরের দিকে সূর্য মেঘের ফাঁক দিয়ে উঁকি মারতে শুরু করেছে। রৌদ্র একটু উঠবে বলে মনে হয়। বৃষ্টি আর ভালো লাগছে না। একটা উপকার হয়েছে আমার দূর্বার বাগানটার। ছোট মাঠটা সবুজ হয়ে উঠেছে।
সবুজ ঘাসগুলি বাতাসের তালে তালে নাচতে থাকে। চমৎকার লাগে, যেই আসে আমার বাগানের দিকে একবার না তাকিয়ে যেতে পারে না। বাজে গাছগুলি আমি নিজেই তুলে ফেলি। আগাছাগুলিকে আমার বড় ভয়, এগুলি না তুললে আসল গাছগুলি ধ্বংস হয়ে যাবে। যেমন আমাদের দেশের পরগাছা রাজনীতিবিদ- যারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক তাদের ধ্বংস করে, এবং করতে চেষ্টা করে। তাই পরগাছাকে আমার বড় ভয়। আমি লেগেই থাকি। কুলাতে না পারলে আরও কয়েকজনকে ডেকে আনি। আজ বিকালে অনেকগুলি তুললাম।’
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর জীবনের বহু দিন, বহু মাস, বহু বছর কাটে কারাগারের চার দেয়ালের ভেতর। জনগণ যেমন অন্তরজুড়ে, তেমনি বাবা, মা, স্ত্রী, সন্তান, পরিবার তার অন্তরের মণিকোঠায়। ২৪ জুলাই ১৯৬৬, বাবার লেখা চিঠি পেয়ে প্রতিবারের মতো নতুন করে বাবা-মায়ের খোকা হয়ে যান তিনি। চমৎকার বর্ণনায় তুলে ধরেন বাবা-মাকে। শেষে লেখেন, “বারবার আমার আব্বা ও মা’র কথা মনে পড়তে থাকে। মায়ের সাথে কি আবার দেখা হবে? অনেকক্ষণ খবরের কাগজ ও বই নিয়ে থাকলাম কিন্তু মন থেকে কিছুতেই মুছতে পারি না, ভালোও লাগছে না। অনেকক্ষণ ফুলের বাগানেরও কাজ করেছি আজ। মনে মনে কবিগুরুর কাথাগুলি স্মরণ করে একটু শান্তি পেলাম।
‘বিপদে মোরে রক্ষা করো
এ নহে মোর প্রার্থনা,
বিপদে আমি না যেন করি ভয়’।”
বঙ্গবন্ধু তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে তাঁর তরুণ বয়সের অন্তরের বিশ্বাসকে প্রকাশ করেন অত্যন্ত দৃঢ়চিত্তে, ‘যে কোনো মহৎ কাজ করতে হলে ত্যাগ ও সাধনার প্রয়োজন। যারা ত্যাগ করতে প্রস্তুত না, তারা জীবনে কোনো ভালো কাজ করতে পারেনি- এ বিশ্বাস আমার ছিল। আমি বুঝতে পেরেছিলাম এ দেশে রাজনীতি করতে হলে ত্যাগের প্রয়োজন আছে এবং আমাদেরকে ত্যাগ করতে হবে পাকিস্তানের জনগণকে সুখী করতে হলে।’ (সূত্র : অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃষ্ঠা-১২৮)।
চিন্তাচেতনা সাহসে কর্মে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অনন্য। দেশের মানুষের সার্বিক মুক্তির জন্য কী কী চাই তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তিনি ’৭০-এর নির্বাচনের আগে দলীয় কর্মসূচি হিসেবে ২৮ অক্টোবর ১৯৭০ সালে তাঁর সুদীর্ঘ বক্তব্যে তুলে ধরেন। আজ জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর সেই বক্তব্যের কিছু অংশ তুলে ধরছি। ‘জনগণের কাছে আওয়ামী লীগ এ প্রতিশ্রুতি দিতে পারে যে, তারা জনগণের পাশেপাশেই থাকবে। কোনো জাতি কোনো দিনই আত্মহুতি না দিয়ে মুক্তি ও ন্যায়বিচার পায়নি। তাই আজ আওয়ামী লীগ প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিগুলোকে জানিয়ে দিতে চায় যে, জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের মোকাবিলা আওয়ামী লীগ অবশ্যই করবে। গণত্রান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা বিঘিœত করা হলে আওয়ামী লীগ সব শক্তি দিয়ে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেই আওয়ামী লীগের জন্ম আর সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগের বিকাশ… প্রকৃত প্রস্তাবে আমাদের গোটা কৃষিব্যবস্থাতে বিপ্লবের সূচনা অত্যাবশ্যক। …কৃষিব্যবস্থাকে অবশ্যই আধুনিকীকরণ করতে হবে। …অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাদের বনজ সম্পদ, ফলের চাষ, গোসম্পদ এবং নৌ-প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার জন্য অবিলম্বে একটি নৌ-গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন করা প্রয়োজন।…বিপুলভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ব্যাপকভাবে বিজলি সরবরাহ করতে না পারলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সাধিত হতে পারে না।…অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থা। যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করে উত্তরবঙ্গের সাথে সরাসরি যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপনের বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেই।
সুষ্ঠু সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা খাতে পুঁজি বিনিয়োগের চাইতে উৎকৃষ্ট বিনিয়োগ আর হতে পারে না। পাঁচ বছর বয়স্ক শিশুদের বাধ্যতামূলক অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষাদানের জন্য একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু করতে হবে। মাধ্যমিক শিক্ষার দ্বার সকল শ্রেণির জন্য খোলা রাখতে হবে। দ্রুত মেডিকেল ও কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়সহ নয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দারিদ্র্য যাতে উচ্চশিক্ষার জন্য মেধাবী ছাত্রদের অভিশাপ না হয়ে দাঁড়ায়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।…চিকিৎসাক্ষেত্রেও এক করুণ পরিবেশ বিদ্যমান। প্রতি ইউনিয়নে একটি করে পল্লি চিকিৎসা কেন্দ্র এবং প্রতি থানা সদরে একটি করে হাসপাতাল অবিলম্বে স্থাপন দরকার। পল্লি এলাকার জন্য বিপুলসংখ্যক প্যারা মেডিকেল পার্সোনালদের ট্রেনিং দেয়া দরকার।…অর্থনীতির সর্বত্র মজুরি কাঠামো ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পুনর্বিন্যাস করতে হবে।… পরিশেষে বলতে চাই, জাতি হিসাবে আমাদের সামনে যে চ্যালেঞ্জ এসেছে, আমরা সাফ্যলের সাথে তার মোকাবিলা করবই।’ তথ্যসূত্র : দৈনিক আজাদ, ২৯ অক্টোবর, ১৯৭০।
জনগণকে সুখী করতে হবে। এই মূল লক্ষ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু সারা দেশে ছাড়িয়েছেন সোনার বাংলার স্বপ্নের বার্তা। সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন, বেছে নিয়েছেন সারা দেশ থেকে তাঁর চিন্তাকে বুঝতে এবং ধারণ করতে পারেন এমন সহযোদ্ধা-সাথীদের। লক্ষ্যবিন্দুতে পৌঁছাতে বঙ্গবন্ধু তাঁর নেতৃত্বের অসাধারণ গুণে পাশে পেয়েছিলেন একান্ত আপন কিছু সহকর্মীকে। জীবনে-মরণে বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্বস্ততা-আনুগত্যের কারণে সেই ’৭৫ সালের নভেম্বর মাসে হত্যা করা হয় তাঁর চার সাথী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান সাহেবকে। শ্রদ্ধাঞ্জলি জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি।
স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু উন্নত বাংলার স্বপ্নের আহ্বানে সব মানুষকে আকৃষ্ট করতে পেরেছিলেন বলেই জন্মলাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। কিন্তু ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার রূপায়ণকে স্তব্ধ করে দেয়। কিন্তু সত্যের জয়কে প্রলম্বিত করা যায়, ঠেকিয়ে রাখা যায় না। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই। বঙ্গবন্ধু চির অম্লান। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। কোভিড-১৯ মহামারি থেকে আল্লাহ বিশ্বকে রক্ষা করুন। সকলকে ধন্যবাদ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
লেখক : স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ-এর কন্যা ও জাতীয় সংসদের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য

Previous articleভোজ্য তেলের মূল্যবৃদ্ধি
Next articleআবাসন, সরকারের অগ্রাধিকার খাত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here