আমাকে বাঁচাও, আমি বাঁচতে চাই

36

নাজমুন নাহার রিনু

আমাকে বাঁচাও, আমি বাঁচতে চাই
আমাকে বাঁচাও, আমি বাঁচতে চাই।

হয়তবা অরণ্য আর্তনাদ করছে, নদী আর্তনাদ করছে।
হয়ত সমুদ্র, ফুল, পাখি, মাছ সকলে বাঁচার জন্য হা হুতাশ করছে।
কেননা তারা আজ বিপর্যয়ের মুখে, তারা আজ বিলুপ্তির পথে।

আমরা মানুষ, সমাজবদ্ধ জীব। এই জন্য সকলে মিলেমিশে সঙ্গবদ্ধভাবে একই সাথে সুখ দু:খে বেঁচে আছি। আর পরিবেশ আমাদের আষ্টেপৃষ্ঠে এক মধুর আলিঙ্গনে বেঁধে রেখেছে।
খাদ্য, মাটি, পানি, আলো, বায়ু প্রভৃতি স্রষ্টার দান যা পরিবেশের মাধ্যমে পেয়ে আমরা বেঁচে থাকি।
গাছপালা, নদী, পাহাড়-পর্বত, মাটি, পানি, বায়ু, আলো ইত্যাদির সম্মিলিত রূপকে বলে পরিবেশ।
আর পরিবেশ থেকে সকল শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের জীবনের পথ চলা শুরু হয়। সমাজে সুশৃঙ্খলভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বসবাস করি।
মার্গারেটর মিড এর মতে, ” আমরা যদি পরিবেশ ধ্বংস করি তবে আমাদের কোনও সমাজ থাকবে না।”
অথ্যাৎ বলা যায় যে, পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে, আমাদের সমাজে জীবন জীবীকা নিয়ে বেঁচে থাকা অনিশ্চিত হবে। সমাজ দ্রুত ধ্বংসের দিকে ধাবিত হবে।
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি। আমাদের পরিবেশ আজ বিপর্যয়ের সম্মূখীন। প্রকৃতি তার নির্মলতা, সজিবতা হারিয়েছে। অশান্ত তার চারপাশ, দূষিত তার পরিমণ্ডল।
জানা বোঝা থেকে বলতে পারি যে , পরিবেশগত সমস্যার অনুভূতি যা ক্ষতিকর বা অবাঞ্ছিত। পরিবেশের অবনতি হলো পরিবেশের বিপর্যয়।
আবার সামাজিক ও পরিবেশগত উদ্দেশ্য, এবং চাহিদা পূরণের নিমিত্তে পরিবেশের
ধারণ ক্ষমতার হ্রাসকে বলা যায় পরিবেশ বিপর্যয়। ‘”আমাদের মূর্খতা, আমাদের উচ্চবিলাসিতার জন্যই আজ পরিবেশ বিপর্যস্ত, অপরিচ্ছন্ন আজ ভূ-প্রকৃতির অবকাঠামো।


আমাদের জননী মাতৃভূমি ভালো নেই। দূষণের ভারে ক্রমশ জর্জরিত আজ মা-মাটি।
অসুস্থ বিশ্ব-পরিবেশের জন্যে প্রকৃতপক্ষে মানুষই দায়ী। নির্বিচারে অরণ্য উচ্ছেদের কাজে বিবেচক মানুষের হাতে উঠেছে নিষ্ঠুর কুঠার। যা পরিবেশ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার অন্যতম কারণ। ক্রমবর্ধমান মানুষের চাহিদার কারণে ঘরবাড়ি শিল্প কারখানা আসবাবপত্র তৈরির কাজে ব্যাপক হারে বাড়ছে বৃক্ষ নিধন।
এছাড়া শিল্প-কারখানায় অবকাঠামো তৈরি এবং অনিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে পরিবেশ দূষিত হয়। শিল্প-কারখানা স্থাপনের প্রয়োজনে দেশের অনেক জলাভূমি ধ্বংস হয়ে যায়। কখনো কখনো শিল্প কারখানার বর্জ্য নদীর পানিতে মিশ্রিত হয়ে তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে জলজ জীববৈচিত্র্য বিলুপ্ত হয়। শিল্প-কারখানার ধোঁয়া বাতাসে বায়ু দূষণ ঘটায়। এভাবে শিল্প-কারখানার নানাভাবে পরিবেশকে দূষিত করে চলছে।
এছাড়াও ইটের ভাটা একইভাবে মাটিদূষণ, বায়ুদূষণ এবং পানিদূষণ ঘটায়। সেই সাথে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা প্রায়ই দেখি, বিভিন্ন স্থানে ফসলি জমিতে ফসল না ফলিয়ে গড়ে উঠেছে ইটের ভাটা।
শুধু তাই নয়, ইট পোড়ানোর জন্য নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে অক্সিজেনেরর অফুরন্ত উৎস গাছপালা। কমে যাচ্ছে বাতাসে প্রত্যাশিত অক্সিজেনেরর পরিমাণ। বাতাসে অক্সিজেনের ভারসাম্য কমায় স্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে নাইট্রোজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইডসহ উষ্ণতা বৃদ্ধিকারী নানা গ্যাসের পরিমাণ। সৃষ্টি হচ্ছে নানা ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
এজন্য বলা হয় যে, ইটের ভাটার মতো শিল্প স্থাপন মারাত্মকভাবে পরিবেশকে বিপর্যয় করে। পরিবেশের আরেকটি অন্যতম গুরুত্যপূর্ণ উপাদান হলো পানি। নদী-নালা, পুকুর, হ্রদ ইত্যাদির পানি প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে। শহরের নির্গমননালি বেয়ে আসা দূষিত তরল, ভারী ধাতু, জলযান থেকে নির্গত তেল, হ্যালোজেন নিঃসৃত হাইড্রোকার্বন পানি দূষণের জন্য দায়ী। মূলত নদীর তীড়েই গড়ে ওঠে কাপড় কল, পাটকল, কাগজের কল, চিনি কলের মতো বিভিন্ন কলকারখানা। এসব কারখানার আবর্জনা প্রতিনিয়ত পানিকে দূষিত করে যাচ্ছে।
ভূত্বকের আবরণ হলো মৃত্তিকা বা মাটি। ভূমিক্ষয়, গাছকাটা, বন উজাড়, এসিড বৃষ্টি, জমিতে অত্যাধিক রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে মাটির গুনগত মান নষ্ট হয়।
জীবনে ব্যবহৃত নানান রকমের রাসায়নিক সার, পলিথিন, প্লাস্টিক ও অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী পদার্থ পরিবেশ দূষণের কারণ।
বিশ্বের বিজ্ঞানীরা সর্তক করেছেন কার্বন নিঃসরণের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ১২ বছরের মধ্যে পৃথিবীকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। দাবানল খরা, বন্যা ও ভয়াবহ তাপ প্রবাহের মতো মহা বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক অন্তঃরাষ্টীয় প্যানেল এক বিশেষ প্রতিবেদন বলা হয়, এখনই পদক্ষেপ না নিলে ২০৩০ থেকে ২০৫২ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করবে,উষ্ণতা বৃদ্ধির বিপর্যয়পূর্ণ এ মাত্রা এড়াতে সমাজের সর্বক্ষেত্রে দ্রুত সুদূর প্রসারী ও নজিরবিহীন পরির্বতনের অপরিহার্যতা তুলে ধরেছেন বিজ্ঞানীরা।
এ জন্য বিশ্ববাসী বর্তমানে নিজসৃষ্ট পরিবেশের বিপর্যয় থেকে মুক্তির সঠিক পথ অনুসন্ধান করছে এবং বাস্তবায়ন করার নিমিত্তে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে।
বিশাল মানবগোষ্ঠী সহ প্রাণী জগৎ কিভাবে এ অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে পারে সে উপায় নির্ধারণে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা অবিরাম কাজ করে চলেছে।
তথ্য অনুযায়ী বলা যায়, দূষণের তারতম্য অনুসারে শিল্প কেন্দ্র গুলিকে শ্রেণীকরণ করে দূষণ নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। তাই এইসব কারখানা গুলিতে দূষণ নিয়ন্ত্রক সরঞ্জাম বসানোর যথায়থ ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়াও প্রযুক্তিবিদ্যার সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে এমন কতকগুলো পদ্ধতির উদ্ভাবন হচ্ছে, যাতে করে পরমাণু চুল্লির আবর্জনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে এর ফলে নিউক্লিয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিবেশে কোনো তেজস্ক্রিয় থাকবে না।
বর্তমানে কলকারখানা থেকে নির্গত হওয়া দূষিত জল, শহরের মল, আবর্জনা, যাতে নদী কিংবা হ্রদের জলকে দূষণ না করে সে ব্যাপারে সচেতন হওয়া দরকার। কীটনাশক, পলিথিন পুরনো যানবহন ব্যবহার কমাতে হবে সেই সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধে সচেতন হওয়া দরকার।
পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না। পলিথিন তৈরি করা বন্ধ করতে হবে, এবং বিক্রি করাও নিষিদ্ধ করতে হবে। প্রশাসনিকভাবে এ ব্যাপারে যথাযথ তদারকি নেওয়া উচিত।
পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র রক্ষায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। দূষণ রোধের সহজতম উপায় বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণ। আমাদের অস্তিত্ব রক্ষায় সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ পেতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে বেশি করে বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণের দায়িত্ব নিতে হবে। পরিবেশ দুষণ কমাতে প্রত্যেকটি দেশের আয়তনের ২৫% বনভূমি নিশ্চিত করতে হবে।
নির্দিষ্ট সময়ের আগে গাছকাটা নিষিদ্ধ করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা বৃক্ষ নিধন আইন যথাযথ প্রয়োগ এবং বৃক্ষ সংরক্ষণের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
রাস্তার দুই ধারে, পুকুর পাড়ে , বাড়ির আঙিনায়, সাদে অথ্যাৎ যেখানে জায়গা পাবো সেখানে গাছ লাগাবে। এখন গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। প্রত্যেকে দুটি করে গাছ লাগাবো।
একটু সতর্ক হলেই আমাদের পরিবেশকে আমরা দূষণ মুক্ত রাখতে পারবো।
আমরা রাস্তাঘাট আবর্জনামুক্ত রাখবো। এজন্য ডাস্টবিনে ময়লা, আর্বজনা ফেলেত হবে। এবং নিয়মিত প্রশাসনিকভাবে তদারকি করতে হবে ও ময়লা সঠিকভাবে সকলে ডাস্টবিনে ফেলা এবং রাস্তার চারপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।
নাগরিক স্বাস্থ্য, পয়ঃপ্রণালী ও সিউয়েজ ব্যবস্থার বৈজ্ঞানিক উপায়ে উন্নতি করতে হবে। বায়ুমণ্ডলে রকেট নিক্ষেপণ ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করতে হবে।
কৃষিজমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। কীটনাশকের পরিবর্তে সমন্বিত বালাই দমন ব্যবহার করতে হবে।
সর্বোপরি পরিবেশ দুষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। পরিবেশ দূষণ রোধকে জাতীয় আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারি সংস্থাকে আরো অগ্রসর হতে হবে।
এককালে মানুষের ধারনা ছিল পরিবেশের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারলেই মঙ্গল। কিন্তু এখন এই ধারণার পরিবর্তন ঘটেছে। কারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে যে আধিপত্য বিস্তার করতে মানুষ বন উজাড় করে, নদীপ্রবাহ বন্ধ করে, পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করে, আসলে তারা নিজের জন্যই সমূহ বিপদ ডেকে আনছে।
দূষণ রোধে আইন-কানুন ইতােমধ্যে সৃষ্টি হয়েছে। এই আইন-কানুন মানা ও স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে পরিবেশ দূষণ মুক্তির সহায়তায় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।
আসলে আবহাওয়া বিশুদ্ধীকরণের জন্য চাই মানুষের আনুপাতিক অরণ্য সৃষ্টিতে মনােযােগী হওয়া। এছাড়া কয়লা ব্যবহার কমিয়ে বায়ুমন্ডলের দূষণ প্রতিরােধ আশু প্রয়োজন। কার্বন মনােক্সাইডের হাত থেকে বাচার জন্য পুরাতন গাড়িগুলি অবিলম্বে বাতিল করা প্রয়োজন।
বৈজ্ঞানিক উপায়ে যানবাহনের আওয়াজ কমানো উচিত। বৈজ্ঞানিক উপায়ে নির্গম-নলে স্মকো অ্যারেস্টার যন্ত্র বসিয়ে এক নতুন গাড়ির প্রচলন করে বিষাক্ত গ্যাস নির্গম নিয়ন্ত্রণে এসেছে তাই আর পরিবেশের উপর আধিক্য নয় বরং আজ পরিবেশের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে সকলেচেষ্টা করতে হবে, এই চেষ্টা সার্থক হলেই কেবল পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী তৈরি করতে পারবো।
আমাদের মনে রাখা দরকার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আমাদের দেয় নীরোগ স্বাস্থ্য ও অক্ষয় দীর্ঘায়ু। পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখার দাড়িত্ব শুধুমাত্র সরকার, সংস্থা বা কোনো ব্যক্তি বিশেষের নয়, এ দাড়িত্ব আমাদের সকলের।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে যেকোনো উপায়ে পরিবেশ দূষণ রোধ করার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আমরাই আমাদের পরিচ্ছন্ন পরিবেশের রক্ষা করবো। আমাদের সকলের সক্রিয় প্রচেষ্টায় দূষণের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চই সম্ভব।

এছাড়া প্রত্যেক দেশে পরিবেশ রক্ষার জন্য বেশ কিছু আইন রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর যদি পরিবেশ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন করে এবং পরিবেশে বিপর্যয়ের সমস্যা সম্পর্কে অধিক প্রচারণা চালায় ও জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করে তাহলে পরিবেশের বিপর্যয়ের হাত থেকে আমরা অনেকটা নিরাপদ থাকতে পারবো আগামী দিনগুলো।
৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের দিনকে সামনে রেখে আমরা বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম সম্মিলিতভাবে করবো এবং আজ থেকে পরিবেশকে বিপর্যয় থেকে উত্তরণের জন্য বৃক্ষ রোপণ ও সংরক্ষণ করবো, পরিবেশকে দূষণমুক্ত করে সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠবো। নতুন এক পৃথিবী গড়বো।
কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়-এর লেখা জাতীয় গীতিতে কণ্ঠ মিলিয়ে সকলে এক সাথে বলি “ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা । “তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা।”
আমাদের বসুন্ধরাকে আমরা ফুলে ফলে ভরে তুলবো, সকল দেশের সেরা হবে আমাদের এই মাতৃভূমি বাংলাদেশ। এজন্য আজ থেকে আমাদের সকলের দায়িত্ব হবে বৃক্ষ রোপণ ও সংরক্ষণ করা, দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা। এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের নি:শব্দ শক্রুর হাত থেকে স্বদেশভূমিকে রক্ষা করবো।
বৃক্ষ বাঁচলে, আমরা বাঁচবো
পরিবেশ সংরক্ষণ করলে, আমরা সকল বিপর্যয় মোকাবেলা করে পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকবো।

Previous articleচাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ‘ভোরের সাথী’র
Next articleবাগেরহাটে করোনায় আক্রান্ত-মৃত্যু

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here