নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া শুরু করতে এখনও কিছুটা দেরি অর্ঘ্যের। তবে মায়ের দেরি সয় না। তার কাছেই নিতে হবে প্রাথমিক পাঠ। মায়ের আঙুল ধরে স্লেটের উপর হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লিখতে হবে অ, আ, ক, খ। একইভাবে অণু ও কাঁকনের শিক্ষাজীবনের প্রথম পাঠও শুরু হবে মায়ের হাতে। বৃহস্পতিবার কেশবপুরের ডাকবাংলো সৌহার্দ্য পাড়ার ‘বানী অর্চনার’ হাতেখড়ি পর্বে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের শিক্ষাজীবনের সূচনা হল।
বিদ্যা, জ্ঞান ও শিল্পকলার দেবী সরস্বতী। বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে অভ্র, আবীর, আমের মুকুল, যবের শীষ, দোয়াত কলম সহযোগে দেবী সরস্বতীর পূজার রীতি। গত তিন বছর ধরে সাড়ম্বরে সরস্বতী পূজার আয়োজন করে আসছে সৌহার্দ্যপাড়ার বিদ্যার্থীবৃন্দ। পূজার আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গে থাকে একটি নতুন উদ্যোগ। নতুন উদ্যোগের আওতায় গত বছর কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে খাতা, কলম, পেন্সিল ও রাবার বিতরণ করা হয়। আর এ বছর বৃক্ষরোপণ করা হবে। কবি ও লেখক সৌমেন্দ্র গোস্বামীর আহ্বানে আয়োজন সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা হলেন পিয়াস সাহা, রূপক বাগচী, শ্রাবণী, সৌমিতা, দুর্লভ ও অলোক। কেশবপুর উপজেলার ডাকবাংলো সংলগ্ন সৌহার্দ্য পাড়ার এ আয়োজনে উপস্থিত ভক্তবৃন্দ পূজার সার্বিক আয়োজন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
