আব্দুর রউফ
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্রধান গেটগুলোতে অবৈধ দোকান, ভ্রাম্যমাণ হকার ও ইজিবাইকের দখলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। বিশেষ করে হাসপাতালের দুই নম্বর ও তিন নম্বর গেট এলাকায় চা, ঝালমুড়ি, মসলা, ফল ও খেলনার দোকান, ইঞ্জিনচালিত রিকশা, অ্যাম্বুলেন্সের অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে জরুরি রোগী পরিবহনে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটির মোট তিনটি প্রবেশগেট রয়েছে। এর মধ্যে এক নম্বর গেট দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ফলে রোগী ও স্বজনদের চলাচলের জন্য মূলত দুই নম্বর ও তিন নম্বর গেটই ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে জরুরি রোগী এবং অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের জন্য দুই নম্বর গেটই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু এই গেটের সামনেই চা, ঝালমুড়ি ও খাবারের দোকান বসিয়ে রেখেছেন একাধিক বিক্রেতা। পাশাপাশি ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত রিকশাগুলো যাত্রী অপেক্ষায় এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকায় প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে জরুরি রোগী নিয়ে আসা অ্যাম্বুলেন্স ও স্বজনদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।
অনুসন্ধানকালে দুই নম্বর গেটের চায়ের দোকানদার জুম্মান হোসেন, সুজন, শামীম, উজ্জ্বল আলমগীর হোসেন ও সাহেব আলীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তারা এখানে দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। গেটের সামনে যানজট সৃষ্টির বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমাদের করার তেমন কিছু নেই, এখানেই আমাদের রুটি-রুজি।
এদিকে তিন নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ‘সুপ গ্যালারি’ নামে একটি দোকানসহ আরও কয়েকটি চায়ের দোকান ও ফলের দোকান গড়ে উঠেছে। তিন নম্বর গেট থেকে দুই নম্বর গেট পর্যন্ত সড়কে সারি সারি অবস্থায় পার্কিং করা রয়েছে অ্যাম্বুলেন্স। এতে করে ওই গেটের অর্ধেক অংশ কার্যত দখলে চলে গেছে।
ফলে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তিনটি গেটই বর্তমানে অবৈধ দোকান, ভ্রাম্যমাণ হকার ও ইঞ্জিনচালিত রিকশার দখলে। এতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
ভুক্তভোগীরা দ্রুত হাসপাতালের প্রধান গেটসমূহ দখলমুক্ত করা, অবৈধ দোকান ও হকার উচ্ছেদ এবং জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য নির্বিঘ্ন চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও যশোর পৌরসভার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হুসাইন শাফায়াত বলেন, বিভিন্ন সময়ে এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে একেক সময়ে একেক পক্ষের লোকজন এসে পুনরায় দখল করেছে। শুধুমাত্র হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নয় সমন্বিত উদ্যোগই পারে এই সমস্যার সমাধান দিতে।
যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান বলেন, পৌরসভার পক্ষ থেকে আমরা নিয়মিত উচ্ছেদ করি। তবে কিছুক্ষণ পরই আবার তারা ফিরে আসে। এ সময় অবৈধ পার্কিংয়ের বিষয়টি তিনি স্বীকার করে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান।
সর্বশেষ
- ঝিকরগাছার অঘোষিত যুবরাজ ‘ভাবির দেবর’
- Wild io Login No Deposit Thrills Await
- Steady_growth_around_the-crash-casinos-ca_ca_for_extreme_wins
- Online Casinos ohne OASIS: Die Top-Bonusstrategien für 2026 im Überblick
- Spelplezier_van_eenvoudige_keuzes_naar_actie_via_baloo-bets-netherlands_nl
- Inside the Duel Casino game lobby: slots and live casino 2026
- An Honest Player Look at Vegasnows In Number 36 – 2026
- Fabulous_journeys_await_dodging_traffic_in_the_addictive_game_chickenroad_challe
