নিজস্ব প্রতিবেদক, বেনাপোল
দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকপোস্টে শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ পণ্য পারাপারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কাস্টমসের এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এবং একটি কথিত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও একাধিক ব্যবসায়ী। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিব আরেফিন কথিত চোরাকারবারি জুনাব আলীর সঙ্গে যোগসাজশ করে অর্থের বিনিময়ে ল্যাগেজ পণ্য ছাড় করে দিচ্ছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, গত ২৭ জুন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাঁচজন ল্যাগেজবাহী যাত্রীকে ইমিগ্রেশন দিয়ে পার করে দেওয়া হয়। এ জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, কাস্টমসের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা সম্ভব।
অনুসন্ধানে অভিযোগ পাওয়া গেছে, স্থানীয় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ব্যবহার করে ট্রলিভর্তি শাড়ি, থ্রি-পিস, কসমেটিকসসহ উচ্চ শুল্কের বিভিন্ন পণ্য ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বের করে আনা হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি বৈধ আমদানিকারকরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের প্রভাবের কারণে সাধারণ যাত্রীরা কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনে অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হলেও সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রিত পণ্য কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই পার হয়ে যাচ্ছে।
ইমিগ্রেশন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, শতাধিক বাংলাদেশি বিজনেস ভিসাধারী নিয়মিত এই ল্যাগেজ সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের পাসপোর্টের ভ্রমণ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, তারা এক থেকে দুই দিন পরপর ভারত যাতায়াত করছেন। একইভাবে ভারতীয় বিজনেস ভিসাধারীদের মাধ্যমেও নিয়মিত ট্রলি ও ব্যাগভর্তি পণ্য বাংলাদেশে আনা হচ্ছে। আগমন ও বহির্গমন সংক্রান্ত রেকর্ড যাচাই করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে সূত্রটির দাবি।
বেনাপোলের একজন আমদানিকারক জসিম বলেন, শুল্ক ফাঁকি ও রাজস্ব ক্ষতি বন্ধে অভিযুক্ত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে বেনাপোল চেকপোস্টে নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিব আরেফিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার সাইদ আহম্মেদ রুবেল বলেন, আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি। আগামীকাল অফিসে যোগ দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখব। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সর্বশেষ
- ঝিকরগাছার অঘোষিত যুবরাজ ‘ভাবির দেবর’
- Wild io Login No Deposit Thrills Await
- Steady_growth_around_the-crash-casinos-ca_ca_for_extreme_wins
- Online Casinos ohne OASIS: Die Top-Bonusstrategien für 2026 im Überblick
- Spelplezier_van_eenvoudige_keuzes_naar_actie_via_baloo-bets-netherlands_nl
- Inside the Duel Casino game lobby: slots and live casino 2026
- An Honest Player Look at Vegasnows In Number 36 – 2026
- Fabulous_journeys_await_dodging_traffic_in_the_addictive_game_chickenroad_challe
