নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে যুবদল ও ছাত্রদলের কর্মসূচি থেকে কমপক্ষে ১৫ নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকালে শহরের লালদীঘিস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয় চত্বর থেকে তাদের আটক করা হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী ও সম্পাদক এহসানুল হক সেতুকে ছেড়ে দিয়েছে। পুলিশ বলছে যাদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে তাদেরকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিক মাসুদ রানা বাবু ও নিউজ২৪ এর ক্যামেরাপার্সন হিমেলের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। পরে প্রেসক্লাব যশোরের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে পৌছালে পুলিশ দুঃখ প্রকাশ করে।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, আদালতের রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে শনিবার বিকালে দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে যশোর জেলা যুবদল ও ছাত্রদল। বেলা ৩ টার পর থেকে দলীয় কার্যালয়ের আশপাশের ভবনের নিচে দলীয় নেতাকর্মীরা অবস্থান নিতে থাকেন। এসময় হঠাৎ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হুসাইন ও কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে পুলিশের একটি টিম লালদীঘি পাড় থেকে নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরি মুল্লুক চাঁদ ও সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতুসহ ১৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করেন। পরে রাতে তাদেরকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। এর আগে, শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিএনপির কার্যালয়ের সামনের সড়কটির দুটি প্রবেশ পথ পুলিশ লোহার ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়।
এদিকে, এ পরিস্থিতির মধ্যে গতকাল সন্ধ্যায় জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ শহরের রবীন্দ্রনাথ সড়ক (আরএন রোডে) বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ মিছিল করে। সেখান থেকেও বেশ কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায় বলে নেতাকর্মীদের ভাষ্য। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, ‘বিএনপি নেতাকর্মীরা এক জায়গায় জড়ো হলেই সরকারের মাথায় কাজ করে না। বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগে আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করেছে।
জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ বলেন, দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বিনা উস্কানিতে ন্যাক্কারজনকভাবে নেতাকর্মীকে আটক করেছে। শান্তিুপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের এমন আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে আটক আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানাচ্ছি। থানা থেকে মুক্তি পাবার পর নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ জানান, আমাকে ও নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতুকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে কমপক্ষে ১২-১৫ জনকে আদালতে চালান দেয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন ও কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তারা দুইজনই ফোন রিসিভ করেননি। তবে এই বিষয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) একেএম শফিকুল আলম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কতজনের গ্রেফতার করা হয়েছে সেটি বলতে পারছি না।
সর্বশেষ
- ঝিকরগাছার অঘোষিত যুবরাজ ‘ভাবির দেবর’
- Wild io Login No Deposit Thrills Await
- Steady_growth_around_the-crash-casinos-ca_ca_for_extreme_wins
- Online Casinos ohne OASIS: Die Top-Bonusstrategien für 2026 im Überblick
- Spelplezier_van_eenvoudige_keuzes_naar_actie_via_baloo-bets-netherlands_nl
- Inside the Duel Casino game lobby: slots and live casino 2026
- An Honest Player Look at Vegasnows In Number 36 – 2026
- Fabulous_journeys_await_dodging_traffic_in_the_addictive_game_chickenroad_challe
