নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে মিলন নামে এক লন্ড্রি ব্যবসায়ীকে অহরণ করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবিতে মারপিটের ঘটনায় দুই সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ। গত ৫ জুন শহরের বেজপাড়া মেইন রোড থেকে তাকে তুলে নিয়ে গেলে বারান্দীপাড়া কদমতলা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আটক দুইজনসহ চারজনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
আটককৃতরা হলো, শহরের আরএন রোডের আব্দুল ওহাবের ছেলে শরিফুল ইসলাম ও রাঙ্গামাটি গ্যারেজ এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে রনি হোসেন। এই মামলার পলাতক আসামিরা হলো, বেজপাড়া মেইন রোডের ফারুক হোসেনের ছেলে ফাহিদ হোসেন ও পশ্চিম বারান্দীপাড়া কদমতলার বাবু।
বাদী মামলায় বলেছেন, তিনি নিউ বেজপাড়া পূজা মাঠের দক্ষিণ পাশে একটি দোকানের লন্ড্রির ব্যবসা করেন। গত ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন এসে দোকানের মধ্যে থেকে জোর করে মিলনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বারান্দীপাড়ার পরিসংখ্যান অফিসের পিছনে একটি গলির মধ্যে তাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। রাজি না হওয়ায় লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে তাকে মারপিট করে। পকেটে থাকা ২৫০ টাকা নিয়ে নেয়। এরপর মিলনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে তার বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণের ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। পুলিশ সেখানে গেলে অন্য পালিয়ে গেলেও শরিফুল ইসলাম ও রনি হোসেনকে পুলিশ আটক করে এবং মিলনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। এরপরে মিলনকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয়। সোমবার মিলন এই ব্যাপারে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ এদিন আটক দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।