কল্যাণ রিপোর্ট: চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ৮টি ইউনিয়নে ৪০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এদের মধ্যে ১৫ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর ওই ৮টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
অভয়নগর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এলাকায় মোট প্রদত্ত ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে মোট ভোট এক লাখ ৪২ হাজার ৯৮ জন। এদের মধ্যে নির্বাচনে এক লাখ ১২ হাজার ৯৭৬ ভোট পড়ে। কাস্টিং ভোটের হার ৮৪ শতাংশ।
নির্বাচনে প্রেমবাগ ইউনিয়নে পাচজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এদের মধ্যে লাঙল প্রতীকের ফরিদুল ইসলাম (প্রাপ্ত ভোট-২৮৯) ও মোটরসাইকেলের সুরভী রেজার (২৮৯ ভোট) পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সুন্দলী ইউনিয়নে হাতপাখা প্রতীকের মোসলেম আলী গাজী (৪২৩ ভোট) ও মোটরসাইকেল প্রতীকের উজ্জ্বল বিশ্বাস (৭৫২ ভোট) প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
এছাড়া চলিশিয়া ইউনিয়নে হাতপাখা প্রতীকের আবু সাইদ সরদার (৭৩৪ ভোট) ও চশমা প্রতীকের ইনামুল হাসান সরদার (এক হাজার ৩০৮ ভোট), পায়রা ইউনিয়নে হাতপাখা প্রতীকের মাষ্টার ফজলুর হক মোল্যা (৩৬০ ভোট), শ্রীধরপুর ইউনিয়নে লাঙল প্রতীকের শাহ আলম মোল্যা (৩৯৩ ভোট), বাঘুটিয়া ইউনিয়নে হাতপাখা প্রতীকের আবু তাহের বিশ্বাস (১৯৩ ভোট), শুভরাড়া ইউনিয়নে হাতপাখা প্রতীকের জাকারিয়া হুসাইন (এক হাজার ৪২০), আনারস প্রতীকের এবিএম জাকির হোসেন (এক হাজার ৩৫৪ ভোট) ও টেবিলফ্যান প্রতীকের শাজাহান মুন্সি (২২ ভোট) এবং সিদ্দিপাশা ইউনিয়নে চশমা প্রতিকের শেখ আব্দুল লতিফ (৬১ ভোট), হাতপাখা প্রতিকের শেখ তরিকুল ইসলাম (৬১৭ ভোট) ও আনারস প্রতীকের এম.জি সরোয়ার ফারাজী (১৬১ ভোট) জামানত হারিয়েছেন।
অভয়নগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস.এস হাবিবুর রহমান বলেন, উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ৪০ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নিয়ম অনুযায়ী কাস্টিং ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সে হিসাবে যারা ভোট পাননি তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।