ইলিয়াস উদ্দীন, ঝিকরগাছা (যশোর): হার না মানা তামান্না আক্তার নূরা পাশে দাঁড়ালেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। শনিবার রাতে তামান্নার বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার আলীপুর গিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। তামান্না নূরার পিতা রওশন আলী দৈনিক কল্যাণকে বলেন, রাত সাড়ে ৮ টা থেকে সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তার বাড়িতে করে বিদায় নিয়ে যান।
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দু’ নেতা তামান্নার জন্য আপেল, কমলালেবু, খাতা কলম এবং মিষ্টি, একতোড়া ফুল উপহার সামগ্রী নিয়ে যান।
আল নাহিয়ান খান বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংগ্রাম করে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা সুদূর ঢাকা থেকে ছোট বোন তামান্নার সাথে দেখা করতে এসেছি। তামান্না সংগ্রাম করে তার যে শিক্ষা জীবন অতিবাহিত করছে, তার পাশে আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবার আছি। তার পড়ালেখার জীবনে যদি কোন জায়গায় কোন প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয় তাহলে ছাত্রলীগ তার পাশে থেকে সমাধান করবে। তার উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ করবে।
লেখক ভট্টাচার্য বলেন, তামান্না খুবই মেধাবী একজন শিক্ষার্থী। ভাল কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা আছে তার। সেজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া বা পরীক্ষার জন্য যে সাপোর্ট লাগে তার ব্যবস্থা আমরা করবো। ভর্তি পরীক্ষার জন্য অন্য সকলের চেয়ে তার প্রস্তুতি যেন কোন অংশে কম না হয়, তার সকল ব্যবস্থা আমরা করব। যদি তার পরিবার চাই, তাহলে আমরা তাকে ঢাকায় ভালো শিক্ষক দিয়ে লেখাপড়ার বেশি সুযোগ সৃষ্টি করে দেবো এবং তার পরিবারকে ঢাকায় থাকার যাবতীয় ব্যবস্থা করবো। আমি চাই, তার যে প্রতিভাগুলো আছে তা যেন সঠিকভাবে বিকশিত হয়। তামান্নার কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থী যেন তাদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে। জননেত্রী শেখ হাসিনার তামান্নার পাশে থাকবেন এবং আমরা তার নির্দেশনায় তামান্নার পাশে থাকবো।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান পিকুল, সাগর হোসেন সোহাগ, শুব্রত হালদার বাপ্পি, সিদ্ধার্থ কুমার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিকুল ইসলাম বাধন ও নাজসুল নাজ, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দীন কবীর পিয়াস, সাধারণ সম্পাদক তানজিব নওশান পল্লবসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।