বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি: গতকাল ছুটি শেষে কর্মস্থলে চলে যাবার কথা থাকলেও যাওয়া হলো না। স্ত্রীর হাতেই জীবন দিতে হলো লাল্টুর। নিহত লাল্টু মন্ডল (২৫) উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুরের ফসিয়ার মন্ডলের ছেলে। পুলিশ স্ত্রী সুরাইয়াকে আটক করে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। সুরাইয়া (১৯) যশোর সদর উপজেলার কেফায়েতনগর গ্রামের ইউনুচ মোল্যার মেয়ে।
নিহতের বড় ভাই মনিরুজ্জামান মিন্টু জানিয়েছেন, তার ছোট ভাই লাল্টু প্রায় আট বছর আগে যশোর ক্যান্টনমেন্টে ‘ব্যাটম্যান’ হিসেবে সিভিলে চুক্তি ভিত্তিক কাজে যুক্ত হন। গত ২২ মার্চ সে কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি আসে। সোমবার তার কর্মস্থলে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু রোববার রাত ১ টার সময় লাল্টুর স্ত্রী সুরাইয়া তাকে শ^াসরোধে হত্যা করেছে। এরপর মাকে ডেকে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করে।
বাঘারপাড়া থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন জানান, লাল্টু যশোর ক্যান্টনমেন্টে ‘ব্যাটম্যান’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ছুটিতে বাড়িতে এসেছেন। গহনা নিয়ে সম্প্রতি স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। স্ত্রীকে মারপিটও করেন তিনি। তারই জের ধরে রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় লাল্টুকে তার স্ত্রী বালিশচাপা ও গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।
তিনি আরো জানান, স্ত্রী সুরাইয়া স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ সুরাইয়াকে আটক করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।