কামরুল ইসলাম, অভয়নগর
যশোর-৪ নির্বাচনী এলাকা অভয়নগর, বাঘারপাড়া উপজেলা ও সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিপুল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক বাবুল।
ভোটের আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, ‘নির্বাচনে বিজয়ী হলে আমাকে এলাকার উন্নয়নের কথা বলে তদবির করা লাগবে না। আমি নিজেই এলাকা ঘুরে ঘুরে সকল পর্যায়ে অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্র চিহ্নিত করে তা বাস্তবায়ন করবো।’ বাস্তবে এর প্রমাণ মিলেছে।
শনিবার (২৭ জুলাই) সকালে তিনি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হন। কোনো বহর না নিয়েই তাকে অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের খোঁজ করতে দেখা যায়। তিনি অভয়নগর উপজেলা ধোপাদী বাজারে অবস্থিত নতুন মসজিদ ভবনের ছাদ ঢালাই কাজ সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ মোল্যাকে বাজারমুখী এমন একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ জানান। এর আগে তিনি মসজিদ নির্মাণ বাবদ এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন।
পরে এমপি বাবুল সুন্দলী বাজার কেন্দ্রীয় মন্দির ভবনের বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখেন। সেখানে উপস্থিত মন্দির কমিটির সভাপতি দেব্রত মন্ডলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে মন্দির ভবন উন্নয়নের জন্য মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় শেষে তিনি সেখানে একটি মডেল মন্দির ভবন নির্মাণের ঘোষণা দেন।
এমপি এনামুল হক সুন্দলী এলাকার একমাত্র শ্মশান সুড়িরডাঙ্গীর সমস্যার কথা লোকমুখে শুনেছিলেন। ওই দিন তিনি স্বচোখে তা দেখার জন্য সেখানে ছুটে যান এবং শ্মশানের সকল বিষয়াদি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে সেখানে দর্শণার্থীদের জন্য একটি বিশ্রামাগার নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন এলাকা ঘুরে ঘুরে সমস্যা চিহ্নিত করেছি। পরে সেখানে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ দিয়েছি। ঠিক একইভাবে আমি আমার নির্বাচনী এলাকা ঘুরে ঘুরে অবকাঠামো উন্নয়ন করবো। এরজন্য আমার কাছে কাউকে তদবির করতে হবে না।’
