নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শার ডিহি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার সংস্কারের টাকাসহ কয়েকটি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ করে ইউনিয়নের সব মেম্বার তার বিচার দাবি করে অনাস্থ প্রস্তাব করেছেন। রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে এতথ্য জানিয়েছেন ১২জন ইউপি মেম্বারই। এ বিষয়ে তারা যশোর জেলা প্রশাসক ও শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার সংস্কারের নামে দুই লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৪২ টাকা আত্মসাত করেছেন। হাটবাজার উন্নয়নের ৩৬ হাজার ৫৪২ টাকা এবং এলজিএসপি খাতে বরাদ্দ যুবকদের প্রশিক্ষণের এক লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
সর্বশেষ কাবিটা প্রকল্পের ৪ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেন। কিন্তু ইউনিয়নের মেম্বাররা সেটা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলে তিনি টাকা আটকে দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান, ইউপি মেম্বার মফিজুর রহমান মল্লিক, আল-আমিন, ফারুক হোসেন, আব্দুল মান্নান, সিদ্দিক জামান লাল্টু, রিজাউল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, সংরক্ষিত ইউপি মেম্বার মিনু খাতুন, রূপালী বেগম ও বিলকিস বেগম।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানের কাছে বারবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
আরও পড়ুন: পক্ষাঘাতগ্রস্ত মেধাবী জ্যোতির এইচএসসি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক মরিয়ম