মারুফ রায়হান, মাগুরা
এক বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে বিদেশ যাত্রা করেন মাগুরা জেলার শালিখা থানার ধনেশ্বরগাতী ইউনিয়নের সর্ব সাংদা গ্রামের আতিয়ার রহমান। কিন্তু দালালের খপ্পরে পড়ে দিশেহারা হয়ে যান। সেখানে ভুয়া কাগজপত্র দেয় দালাল। ২ বছর পালিয়ে কাজ করে সৌদি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে বাড়িতে ফিরে হয়ে পড়েন বেকার। সংসার আর বেকারত্বের টেনশনে দিশেহারা হয়ে এক আত্মীয়ের পরামর্শে তিনি ২০১৯ সালে করেন মুরগির খামার। প্রথমে একটি শেডে কয়েকশ’ মুরগির বাচ্চা উঠান। তারপর থেকে আতিয়ারের ভাগ্যের চাকা বদলাতে শুরু করে। প্রথম চালানে তার ২ লাখ টাকা লাভ হয়। বছরে তিনি ৪ চালানে মুরগিগুলো বিক্রি করেন।
বর্তমানে ১০ হাজার পিস মুরগির বাচ্চা রয়েছে তার ৪ টি শেডে। শেড দেখাশোনার জন্য রয়েছে ৪ জন কর্মচারী। বর্তমানে তার বার্ষিক আয় ১০-১২ লাখ টাকা। আতিয়ার রহমানের পাশাপাশি তার গৃহিণীও সময় দেন মুরগির খামারে। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস নিয়মিত তদারকি করেন তার খামার।
আতিয়ার রহমান আক্ষেপ করে বলেন, আমি আরো ভালো কিছু করতে চাই কিন্তু ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে তারা লোন দেয় না। আমাকে একটু সাহায্য করলে আমি আরো বেকারত্ব দূর করতে পারতাম।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আতিয়ার রহমানের মুরগির খামার আমরা নিয়মিত পরিদর্শন করি। তাকে সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকি। তার মতো খামার কেউ করতে চাইলে আমরা তাকে সবরকম সাহায্য সহযোগিতা করবো।
