নিজস্ব প্রতিবেদক
তথ্য গোপন করে বিয়ে ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে লতিফা ইয়াসমিন লতা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে যশোরের একটি আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার ঝিকরগাছার ব্যাংদাহ গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে প্রবাসী জাহের আলী এ মামলা করেছেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার দালাল অভিযোগের তদন্ত করে সিআইডিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। আসামি লতা যশোর সদরের বাহাদুরপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী শেখ তাজ হোসেন তাজু।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি জাহের আলী দুবাই চলে যান। দুবাই থাকাকালিন ফেসবুকের মাধ্যমে আসামি লতার সাথে তার পরিচয়। লতা ৭ বছরের এক সন্তানের জননি হয়েও নিজেকে কুমারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে জাহের আলীর সাথে ইমো-হট অ্যাপসের মাধ্যমে কথা বলতেন।
এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে মোবাইলে মৌলভীর মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। এরপর থেকে লতা বিভিন্ন অজুহাতে বিপুল অংকের টাকা নিয়েছেন জাহের আলীর কাছ থেকে। ২০২২ সালের ২৬ মে জাহের আলী দেশে ফিরে আসেন। ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর লতা তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ ও পারিবারিাক সহিংসতার অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। মামলার অভিযোগে যে কাবিননামা সরবরাহ করেছেন তা জাল জালিয়াতি করে তৈরি করা। এ মামলা দুইটি লতা নিজ উদ্যোগে আদালত থেকে ওই সময় প্রত্যাহার করে নেন। চলতি বছর লতা আবারও দুইটি মামলা করেছেন জাহের আলীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়টি জানতে পেরে লতার বাড়িতে লোকজন নিয়ে মিথ্যা মামলা ও এক সন্তানের জননী হয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিয়ে করার কারন জানতে চান জাহের আলী। এ সময় লতা খুল-জখম ও আরও মামলা দিয়ে জেল খাটানোর হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ তা গ্রহণ না করায় তিনি আদলতে এ মামলা করেছেন।
