কল্যাণ রিপোর্ট: প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে ২৫ লাখ টাকা খুইয়েছেন যশোরের চৌগাছা উপজেলার ভদড়া গ্রামের বাসিন্দা আরব আমিরাত প্রবাসী আব্দুল করিম (৩৫)। এই ঘটনায় কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।
আসামিদের নাম ঠিকানা সুনির্দিষ্ট না করলে তিনটি মোবাইল ফোন নম্বর দেয়া হয়েছে। এরা হলো, কথিত হেদায়েতুল্লাহ মিজান। তার মোবাইল নম্বর ০১৮৭৩-৯৮৮৭৭৫। কথিত মারুফ হোসেন। তার মোবাইল নাম্বার ০১৬১৭-১২০৯১৯। এবং কথিত শান্ত। তার মোবাইল নাম্বার ০১৯৩৫-৮২৮৬২১।
এজাহারে আব্দুল করিম উল্লেখ করেছেন, তিনি দুবাই প্রবাসী। প্রায় আড়াই মাস আগে তিনি দেশে ফিরে বাড়ি নির্মাণের কাজ করছেন। ১৫ দিন আগে শান্ত নামের ব্যক্তি মোটরসাইকেল যোগে তার বাড়িতে যায়। এবং ভবনে ইন্টারনেট টাওয়ার বসালে টাওয়ারের জন্য ৫ কোটি টাকা এবং প্রতিমাসে ২৫ হাজার টাকা করে দেবে মর্মে প্রলোভন দেখায়। এরপর থেকে মোবাইল ফোনে তার সাথে প্রায় সময় কথাবর্তা চলতে থাকে। একপর্যায় তিনি রাজি হলে তাকে ২৫ লাখ টাকা নিয়ে যশোর শহরের ধর্মতলা মোড়ে আসতে বলে। তিনি তাদের কথা বিশ^াস করে গত ২৩ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে যশোর শহরের ধর্মতলা মোড়ে আসেন। সেখান থেকে ওই মোড়ের এক নারীর বাসায় নিয়ে যান। ওই বাড়িতে প্রতারকরা ভাড়া থাকে। তার সাথে কথাবার্তা চূড়ান্ত করার পর প্রতারকদের হাতে নগদ ২৫ লাখ টাকা তুলে দেন। টাকা নেয়ার পর দুইজন কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়। আরেকজন ফুলের মালা কেনার জন্য দড়াটানায় যাবেন বলে বের হয়। এরপর তাদের আর কোন খোঁজ মেলিনি। মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তিনি বুঝতে পারেন তিনি প্রতারকের খপ্পড়ে পড়েছেন।