নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদরের কচুয়া গ্রাম থেকে এক স্কুল শিক্ষার্থী (১৫) অপহরণের ঘটনায় কোতয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে। অপহৃতস্কুল শিক্ষার্থী রূপদিয়া স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী। কচুয়া ঘাটকুলপাড়ার বাসিন্দা ওই স্কুল শিক্ষার্থীর মা অপহরণের ১৫ দিন পর রোববার মামলা করেন।
মামলায় একজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামি হচ্ছে সদরের মনোহরপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে তুহিন আলী (১৯)। অপহৃত স্কুল শিক্ষার্থীকে পুলিশ উদ্ধার করেছে।
মামলায় অপহৃত স্কুল শিক্ষার্থীর মা বলেছেন, তার মেয়ে রুপদিয়া স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। আসামি তাদের দুঃসম্পর্কের আত্নীয়। স্কুলে যাওয়া আসার পথে আসামি তুহিন তার মেয়েকে অশালীন কথাবার্তাসহ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উত্যক্ত করতো।
মেয়ে তুহিনের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় উত্যক্তের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। মেয়ে ঘটনার বিষয়ে তাকেসহ পরিবারের সদস্যদের জানায়। মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে এধরনের কাজ না করার জন্য অনুরোধ করলে আসামি ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি ধামকিসহ মেয়েকে অপহরণ করে ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে বাড়ি সংলগ্ন কচুয়া গ্রামস্থ পাকা রাস্তার উপর পৌছুলে ওই শিক্ষার্থীকে সাদা রঙের মাইক্রোবাসে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মাইক্রোবাসটি আগে থেকেই বাড়ির সামনে রাস্তার উপর অবস্থান করছিলো।
ওই শিক্ষার্থীর চিৎকারে মামলার বাদিসহ স্থানীয়রা উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে থানায় মামলা করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই রফিকুল ইসলাম জানান, ২৭ নভেম্বর রোববার রাতে শহরতলীর হাসেমপুর এলাকা থেকে অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার তাকে আদালতের নিরাপত্তা হেফাজতে সোপর্দ করা হয়। আর মামলার আসামি তুহিনকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।