নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর কালেক্টরেট সভা কক্ষে বুধবার জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা মাসিক সভা হয়েছে। জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক হুসাইন শওকত, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ-উজ জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান, জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্বাস আলী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ। এ সময় সকল দফতরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, মনিহার এলাকায় দুটি বিজয় স্তম্ভের মধ্যে একটি সরানোর জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালায় থেকে সম্মতি এসেছে। ফলে বঙ্গবন্ধুর সময় নির্মিত বিজয় স্তম্ভ রেখে অন্যটি সরিয়ে ফেলা যাবে। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে শেখ হাসিনা সফটওয়ার পার্ক চালু রাখতে হবে। মশা নিধনের জন্য ড্রেন পরিষ্কার জরুরি। যশোরের সকল কোচিং সেন্টার তদারকি করতে জেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, বন্ধের দিন কোচিং সেন্টারে পরীক্ষা ও ক্লাস নেয়া হয়। সেই সাথে ঝিকরগাছা বেনাপোল সড়কে গাছ কাটার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সিভিল সার্জন ডাক্তার বিপ্লব কুমার বিশ^াস বলেছেন পৌর এলাকায় মশা ও কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। যে কারণে পৌরবাসী সমস্যায় আছে। মশার কারণেও রোগবালাই বাড়ছে। ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আখতারুজ্জামান বলেন, চারখাম্বার মোড়ে ড্রেনের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ-১ এর তত্ত্বাবধায়ক শহিদুল ইসলাম বলেছেন, যশোর পৌরসভায় ২২ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল ও শেখ হাসিনা সফটওয়ার পার্কে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। পৌর মেয়র মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনী খান পলাশ বলেছেন, হাইকোর্টে নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে কুকুর নিধন করা যাচ্ছে না। মশা নিধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হবে। চার খাম্বার মোড়ে ড্রেনেজ সমস্যার সমাধান করা হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মণিহার-মুড়লী রাস্তার ফোর লেনের কাজ শেষ করা হবে।