নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শার দূর্গাপুর গ্রামের আবু মুছা হত্যা মামলায় জামাই তুহিন সরদারসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আকরাম হোসেন।
অভিযুক্তরা হলো, শার্শার দূর্গাপুর গ্রামের কুদ্দুস সরদার ও তার ছেলে নিহতের জামাই তুহিন সরদার, রুহিত সরদার, শুকুর আলীর ছেলে জামির হোসেন, মৃত সোনাই সরদারের ছেলে শাহবুদ্দিন সরদার, আলাল সরদার এবং শুকুর আলীর ছেলে ফারুক হোসেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ৬ বছর আগে দূর্গাপুর গ্রামের নিহত আবু মুসার মেয়ে সোহানাকে অপহরণ করে বিয়ে করেছিল তুহিন সরদার। পরে তাদের সংসারে আরিয়ান নামের একটি ছেলে সন্তানের জন্মহয়। বিয়ের পাঁচ বছরের মাথায় তুহিনের সাথে ছাড়াছাড়ি হয় সোহানার। এর পরথেকে আরিয়ান নানি বাড়িতে মায়ের সাথে থাকতো। এরমাঝে তুহিন এসে ছেলে আরিয়ানকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। ২০২১ সালের ১২ অক্টোবর সকালে মুসা নাতি আরিয়ানকে তার পিতার বাড়িতে আনতে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা মুসাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পওে তিনি শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনিরা বেগম আসামিদের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা করেন। আদালতের আদেশে ২০২১ সালের ৮ নভেম্বর শার্শা থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু হয়। এ মামলার তদন্ত শেষে আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ওই ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।