নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রেসক্লাব যশোরে দুইপক্ষ এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
একপক্ষের আসাদুজ্জামান দাবি করেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ও তার লোকজন প্রতিপক্ষের দুইজনকে পিটিয়েছে। আর শহিদুল ইসলাম মিলন মোটেও জড়িত নয় বলে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন মাস্টার নুরুল ইসলাম। তার দাবি ঘটনার সময় শহিদুল ইসলাম মিলন উপস্থিতই ছিলেন না। শুধুশুধু শহিদুল ইসলাম মিলনকে হেয় করতে মিথ্যা বলা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আসাদুজ্জামান অভিযোগ করেন, হামিদপুর গ্রামে ত্রিশ বছর আগে শিল্প ব্যাংক থেকে দশ একর জমি ক্রয় করেন। তখন থেকেই ওই জমিতে পরিবার নিয়ে বসবাস ও চাষাবাদ করছেন। সোমবার দুপুরের দিকে আমি ও আমার ছেলেরা কলা গাছ লাগাতে যাই। এ সময় হঠাৎ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন ১২-১৫ জন লোক নিয়ে উপস্থিত হন। শহিদুল ইসলাম মিলন ওই জমি তার বিয়াই নুরুল ইসলামের দাবি করে দখলের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে শহিদুল ইসলাম মিলনের উপস্থিতিতে তার লোকজন আমার ও ছেলে জাফরীর উপর হামলা চালায়।
এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে পালটা সংবাদ সম্মেলন করেছেন শহিদুল ইসলাম মিলনের আত্মীয় মাস্টার নুরুল ইসলাম। তার পক্ষে আইনজীবী শাহরিয়ার বাবু বলেন, সোমবারের ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি বলেন, নুরুল ইসলামের জমি দখল করতে যায় আসাদুজ্জামান ও তার লোকজন। এসময় জমির বৈধ মালিকরা বাধা দিলে এই ঘটনা ঘটে। আসাদুজ্জামান নিলামের মাধ্যমে ক্রয়কৃত জমির বাইরেও প্রায় ৩৫ বিঘা জমি জোরপূর্বক দখল করে আছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন এই আইনজীবী।
