নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতায় যাওয়া বা কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো নয়। রাজনীতি মানে মানুষের সেবক হিসেবে পাশে থাকা—তাদের বিপদ, আপদ ও সংকটে সহায়তা করা এবং জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করা।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের খিতিবদিয়া পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় খিতিবদিয়ার হিন্দু-মুসলিম নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের মানুষ ফুল ছিটিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বরণ করে নেন। কোমলমতি শিশুরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেয়। তিনি শিশু ও বৃদ্ধসহ উপস্থিত সকলকে স্নেহভরে বুকে জড়িয়ে ধরেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুস সাত্তারকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিএনপি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। চূড়ামনকাটি ইউনিয়নে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে আজ এই এলাকা বিশ্বব্যাপী পরিচিত। আমাদের অভিভাবক তরিকুল ইসলামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি আরও বলেন, তরিকুল ইসলাম চূড়ামনকাটিতে নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন করেছিলেন। কাঁচা ও পাকা মিলিয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন। কিন্তু গত ১৬ বছর ধরে চূড়ামনকাটির উন্নয়নের চাকা থমকে গেছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমি নতুন করে উন্নয়নের ধারা ফিরিয়ে আনতে চাই। যশোরের প্রকৃত রাজনৈতিক ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে মানুষের মধ্যে কোনো বিভাজনের রেখা টানতে দেব না।
পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি সেলিনা পারভীন শেলী।
সভা শেষে চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের প্রয়াত সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
