নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারবক হুসাইন বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে যাতে দুর্বৃত্ত ও পতিত সরকারের দোসররা ক্ষমতায় না আসতে পারে সে জন্য শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রত্যেক কর্মীদের পাহারাদারের ভূমিকায় থাকতে হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ দেশে ইনসাফপূর্ণ একটি সমাজ কায়েম করতে চায়, আল্লাহর রুহুলিয়াত কায়েম করতে চায়। এজন্য জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান সারাদেশে ছুটে চলছেন, মানুষকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। দেশের জনগণও আগামী দিনের জন্য জামায়াতকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে।
তিনি বলেন, ইনসাফপূর্ণ সমাজ যদি প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে শ্রমিক শ্রেণি-খেটে খাওয়া মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে, তারা নির্যাতনের শিকার হবে না। এজন্য আমাদের একটি আওয়াজ হবে আমরা আগামীতে ইনসাফপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে বদ্ধ পরিকর।
জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন শনিবার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন যশোর জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সংগঠনের যশোর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালেক খানের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রধান উপদেষ্টা ও জামায়াতে ইসলামীর যশোর জেলা আমীর অধ্যাপক গোলাম রসুল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামায়াতের যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক মশিউর রহমান।
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের, মো. আব্দুর রহিম, দ্বীন ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, আকতারুজ্জামান জহুরুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন যশোর জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান অতিথি মোবারক হোসেন।
যশোর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এর নবগঠিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন আব্দুল খালেক খান, সহ-সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি অধ্যাপক নুরুল আমিন, সহ সেক্রেটারি রহমান, সহ সেক্রেটারি (মহিলা) মাসুদা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিল্লুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আকবর আলী, ট্রেড ইউনিয়ন সম্পাদক আশিক উল্লাহ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মোহাম্মদ আদম আলী, পাঠাগার সম্পাদক মোহাম্মদ অহিদুজ্জামান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, আইন ও আদালত সম্পাদক হামিদুর রহমান, সাহায্য ও পুনর্বাসন সম্পাদক মনিরুজ্জামান, সদস্য মুহাম্মদ দ্বীন ইসলাম (ঝিকরগাছা), আব্দুস সালাম (কেশবপুর), রফিকুল ইসলাম (মনিরামপুর), মাহবুবুর রহমান (বেনাপোল), মোতুহিনুর রহমান (চৌগাছা), হাবিবুর রহমান (শার্শা), মোহাম্মদ অলিউজ্জামান (মনিরামপুর), নুরুল ইসলাম (অভয়নগর), ইউনুস আকন্দী (অভয়নগর) ও অলিউল্লাহ (কেশবপুর)। মোট ২৬ জনের নামের তালিকা ঘোষণা করা হয়।
