নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে কুইন্স হাসপাতাল থেকে এক নারী ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে দৌঁড় দিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, নড়াইল থেকে ডাক্তার দেখাতে এসে স্বর্ণের চেইন খুঁইয়েছেন নূর জাহান নামের এক নারী। তার গলা থেকে টেনে-হেঁচড়ে চেইন ছিনিয়ে দৌঁড় দেন আকলিমা। নূর জাহানের চিৎকার শুনে দৌঁড়ে পালানোর সময় ক্লিনিকের স্টাফ রিন্টু তাকে ধরে ফেলেন। উৎসুক জনতার ভিড়ে তার দেহ তল্লাশি করা হয় কিন্তু পাওয়া যায়নি খোয়া যাওয়া স্বর্ণের চেইন।
তবে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত নারী আকলিমা চেইন ছিনিয়ে দৌঁড়ে পালাচ্ছেন। মুহূর্তের ভেতর চেইনটি কোথায় গেল তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। অনেকের ধারণা আকলিমার সাথে দ্বিতীয় কোনো চোর ছিল, যে কারণে দ্রুত হাত বদল হয়ে গেছে চেনটি। যদিও অভিযুক্ত নারীর দাবি তিনি কিছু নেননি। অবশেষে তাকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চেইন ছিনতাইয়ের পর সেখানে হাজির হন আরও দুজন ভুক্তভোগী। ঝিনাইদহের আলী হোসেন অভিযোগ করেন তার মানিব্যাগ খোয়া গেছে এ ঘটনার কিছুক্ষণ আগে। সাড়ে ৮ হাজার টাকা ছিল তাতে। এরমধ্যে এক নারী ছুটে এসে আকমিলার গলাচেপে ধরেন। তিনি বলেন, এই সেই চোর, যে মাসখানেক আগে নাত-বউর গলা থেকে দেড় ভরি ওজনের চেইন নিয়ে ছুটে পালিয়েছিল। তিনি বেনাপোলের বাসিন্দা। তবে চাকরি করেন নোভা মেডিকেলে। কুইন্সে চোর ধরা পড়ার খবরে ছুটে আসেন।
তবে অভিযুক্ত নারী আকলিমার দাবি তিনি চুরি করেননি। বাড়ি ঢাকার সাভারে। আজই সকালে তিনি যশোরে আসেন। যদিও তার দাবি ধোপে টেকেনি। সিসিটিভির ফুটেজে তাকে চেইন ছিড়ে নিতে দেখা গেছে। তাছাড়া ডাক্তার দেখাতে আসা অনেকেই এই নারীকে চেইন ছিনিয়ে নিতে দেখেছেন।
পরে মারপিট এড়াতে কোতোয়ালি থানায় ফোন করা হলে এসআই আব্দুল কুদ্দুস ফোর্স নিয়ে সেখানে হাজির হন এবং অভিযুক্ত আকলিমাকে থানায় নিয়ে যান।
