কেশবপুর প্রতিনিধি
বর্তমান সরকার কৃষকদের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেশবপুরের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার। তিনি বলেন, সরকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার, কীটনাশক ও বীজসহ নানা উপকরণ বিতরণ করছে। দরিদ্র কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা ও সহজ শর্তে ঋণ দেয়া হচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকার কৃষকদের সহায়তায় বদ্ধপরিকর। সরকার বিশ্বাস করে ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’।
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে শনিবার বিকেলে কৃষি অফিস মিলনায়তনে কেশবপুরের ৭২০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ধানের বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৯৪-৯৫ সালে সারের দাবিতে আন্দোলনরত ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আর বর্তমান সরকার কৃষকদের ডেকে এনে সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ দিচ্ছে। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, উন্নত জাতের বীজ ও কৃষি উপকরণ পেয়ে কৃষকদের ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সরকারের সহযোগিতায় দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
শাহীন চাকলাদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ি দেশের প্রতিটি ইঞ্চি জমি আবাদ করতে হবে। আমাদের উৎপাদন পর্যাপ্ত থাকলে এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলেও খাদ্য ঘাটতি হবে না। উপরন্তু উদ্বৃত্ত খাদ্য রপ্তানি করে বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় অবদান রাখতে পারবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমীন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর স¤পাদক মফিজুর রহমান, ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, বিদ্যানন্দকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, পাঁজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জসীম উদ্দীন, গৌরীঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, হাসানপুর ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুজ্জামান প্রমুখ।
রোপা আমন ধান ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উপজেলার ৭২০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ৫ কেজি করে ধানের বীজ এবং ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার দেয়া হয়েছে।
