ক্রীড়া ডেস্ক :
বিশ্বকাপ ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ১১বার প্রতিনিধিত্ব করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার। তবে ঘরের মাঠে ২০০২ সালে সেমিফাইনালিস্ট, দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ২০১০-এ রাউন্ড অব সিক্সটিন ছাড়া অবশিষ্ট ৮টি আসরে গ্রুপ রাউন্ডে থেমে গেছে কোরিয়ার বিশ্বকাপ মিশন।
কাতার বিশ্বকাপেও প্রথম রাউন্ডে থেমে যাওয়ার শঙ্কা তাদের প্রবল। ‘এইচ’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে রুখে দিয়ে (০-০) শেষ ষোল’র সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিল কোরিয়া। তবে ঘানার কাছে ২-৩ গোলে হেরে সে সম্ভাবনার পথে তৈরি হলো বাধা।
কাতারের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে সোমবার ৪-২-৩-১ ফরমেশনে কোরিয়া খেলেছে পরিশ্রমী ফুটবল। ঘানার গোলমুখে আক্রমন করেছে ২২ বার। যার মধ্যে গোল টার্গেট করে শট নিয়েছে ৭টি। বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল এশিয়ার ফুটবল পাওয়ার হাউজের ৬৩%। তবে একতরফা খেলেও লাভ হয়নি। বরং পতুর্গালের কাছে ২-৩ গোলে হার-এ তেঁতে ওঠা ঘানা পরিকল্পিত ফুটবলে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়ে শেষ ষোল’র সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে।
খেলার ধারার বিপরীতে ২৪ মিনিটের মাথায় প্রথম সুযোগ থেকে এগিয়ে যায় ঘানা। আন্দ্রে আইয়ুর ফ্রি-কিকে ডি-বক্সে বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে জটলার মধ্যে গোল করেন ঘানা স্ট্রাইকার সালিসু (১-০)।
খেলার ৩৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। বাঁ দিক থেকে জর্ডান আইয়ুর ক্রস থেকে ৬ মিটার বক্সের সামনে থেকে চমৎকার হেডে ব্যবধান দ্বিগুন করেন কুদুস (২-০)।
প্রথমার্ধে ০-২ গোলে পিছিয়ে ৫৬ মিনিটের মাথায় ব্যবধান কমায় কোরিয়া। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের ক্রসে চো চিউইয়ি-সাং ডাইভিং হেডে গোল করেন (১-২)। ৬১ মিনিটের মাথায় বাঁ দিক থেকে লি কাং-ইনের ক্রসে জাম্পিং হেডে সমতা আনেন চো (২-২)।
তবে লিড পেতে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ঘানাকে। খেলার ৬৮তম মিনিটে উইলিয়ামসের ক্রস থেকে কুদুস জয়সূচক গোল করেন (৩-২)। মাঠে ফিরতে মরিয়া কোরিয়া খেলার শেষদিকে উপর্যুপরি আক্রমন করেও গোলের দেখা পায়নি। উল্টো কোরিয়ার কোচ পাউলো বিন্টো মেজাজ হারানোয় লাল কার্ড পান।