নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সহ-সভাপতি, আর এন রোডের শেখ এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব শেখ শফিয়ার রহমান কালু মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার রাত সাড়ে ৯টায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি এক ছেলে এক মেয়ে নাতি নাতনিসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখেছেন।
শেখ শফিয়ার রহমান কালুর পুত্র ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি শেখ রকিবুল ইসলাম জানান, তার পিতার প্রায় এক মাস আগে ফুসফুস ও হৃদপিন্ডে ক্ষত ধরার পর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে বাড়িতে আসেন। এরপর গেল রোববার রাত ৮ টার দিকে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে খুলনা সিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। খুলনা থেকে তার মরদেহ রাতে শহরের বারান্দিপাড়ার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরও জানান, তার পিতা যশোর ইনস্টিটিউটের ক্রীড়া সম্পাদক, জেলা এগ্রিকালচার মেশিনারী মালিক সমিতির সভাপতি, হোমিও প্যাথিক কলেজের পরিচলনার পরিষদের সদস্য, সোনালী অতীত ক্লাব, জেলা ক্রীড়া লেখক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সোমবার বাদ যোহর রোড বারান্দিপাড়া বায়তুল মামুন জামে মসজিদে শেখ শফিয়ার রহমান কালুর জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম-আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদস্য অ্যাড. মো. ইসহক, গোলাম রেজা দুলু, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু প্রমুখ। জানাজা শেষে তাকে উপশহর কবর স্থানে দাফন করা হয়।
বিএনপি নেতা ও ক্রীড়া সংগঠক, সামাজিক ব্যাক্তিত্ব শেখ শফিয়ার রহমান কালুর মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও যশোর জেলা বিএনপি আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, শেখ শফিয়ার রহমান কালু একজন ধার্মিক ও সজ্জন ব্যাক্তি হিসেবে এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি। দোয়া করি মহান রাব্বুল আল আমিন তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম এবং তার স্বজনদের ধৈর্য্য ধারণের ক্ষমতা দান করুক।
