নিজস্ব প্রতিবেদক
খুলনা ও সাতক্ষীরা থেকে ইজিবাইক চোরচক্রের সাত সদস্যকে আটক করেছে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এসময় তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়েছে। রোববার আটককৃতদের মধ্যে চারজন চুরির কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহম্মেদ সব আসামিকেই জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।
আটককৃতরা হলো, যশোর শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার ইমান আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম ইমন, সদর উপজেলার শাখারীগাতি গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে আরিফুল ইসলাম নিশাদ, শহরের চাঁচড়া রেলগেট চোরমারা দিঘিরপাড়ের মোসলেম সরদারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম, বেজপাড়া তালতলা কবরস্থান রোডের আব্দুল মান্নানের ছেলে বিপুল হোসেন, শহরতলীর রামনগর রাজারহাট এলাকার মোতাহার সরদারের ছেলে সবুজ সরদার, সদর উপজেলার হাটবিলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মুরাকালিয়া গ্রামের আহম্মদ আলী সরদারের ছেলে জসিম উদ্দিন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত ২৬ জুন রাত ৯টার দিকে চালক শহরের বারান্দী মোল্যাপাড়া আমতলা থেকে তার ইজিবাইকে চারজন যাত্রী নিয়ে বেজপাড়া তালতলা এলাকায় আসছিলেন চালক সালমান মাতুব্বর। রাত ৯টার দিকে যাত্রীবেসে থাকা আরোহীরা তার ইজিবাইকটি কৌশলে চুরি করে নেয়। এই ঘটনায় চালক সালমান মাতুব্বর ডিবি পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন। এসআই মফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে যান্ত্রিক উপায়ে ওই চোরদের নাম-ঠিকানা এবং অবস্থান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। রোববার ভোর রাতে ওই চক্রের চারজনকে আটক করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে যশোর শহরতলীর রামনগর থেকে দুইটি এবং সাতক্ষীরা থেকে আরো একটিসহ মোট তিনটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। একই সাথে একের করে ওই চক্রের মোট সাতজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম ইমন, আরিফুল ইসলাম নিশাদ, জাহিদুল ইসলাম ও বিপুল হোসেন ইজিবাইক চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি চোরাই ইজিবাইক ও একটি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
