ক্রীড়া ডেস্ক
আগামী ১ মার্চ বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ছাড়াও দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে তারা। গুঞ্জন উঠেছে, লঙ্কানদের বিপক্ষে সাকিব আল হাসান টেস্ট খেলবেন না। বাঁহাতি অলরাউন্ডার এসবে কান দিচ্ছেন না। শুক্রবার রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এনিয়ে প্রশ্ন, পাল্টা প্রশ্ন হয়!
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে মাঠে গড়াবে ওয়ানডের লড়াই। এরপর সিলেটে ২২ মার্চ প্রথম টেস্ট এবং ৩০ মার্চ চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্ট হবে।
টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটি নিয়েছেন সাকিব। কিন্তু টেস্ট থেকেও তার বিশ্রামে থাকা প্রসঙ্গে বিসিবি সূত্রে তেমন কিছু জানা যায়নি। যদিও ক্রিকেটপাড়ায় গুঞ্জন, টি-টোয়েন্টির মতো টেস্ট সিরিজ থেকেও সাকিব দূরে থাকতে চাইছেন।
বিষয়টি নিয়ে সাকিবের কাছে জানতে চাওয়া হলে শুরুতেই পাল্টা প্রশ্ন তার, ‘কে বলেছে আপনাকে? গুঞ্জনকে গুঞ্জন হয়েই থাকতে দেন। আর না হলে আপনি খুঁজে বের করেন। কে বলছে তাকে জিজ্ঞাসা করেন। আমি কি বলেছি কাউকে? আমি কি বলেছি কখনও, আমি চাচ্ছি না (টেস্ট খেলতে) কিংবা চাচ্ছি, এরকম কিছু?’
আরেক প্রশ্নে সাকিব প্রায় একই কথা বলেছেন, ‘কোথায় থেকে শুনেছেন? তাহলে তাকেই আপনি জিজ্ঞাসা করেন। আমাকে জিজ্ঞাসা করে লাভ নেই। যার কাছ থেকে শুনছেন তাকে জিজ্ঞাসা করেন। আমি যদি বলতাম, আমি খেলতে চাই অথবা খেলতে চাই না, তাহলে সেটা আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করতে পারতেন।’
গত ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকেই চোখের সমস্যায় ভুগছেন সাকিব। একারণে বেশ কয়েকবার দেশের বাইরে গিয়ে চোখের ডাক্তারও দেখিয়েছেন। চোখের সমস্যার কারণে বিপিএলে ব্যাট হাতে ছন্দহীন বাঁহাতি এই ব্যাটার। যদিও আগের ম্যাচে স্পিন বোলারদের বিপক্ষে ভালোই ব্যাটিং করেছিলেন তিনি। ওই ম্যাচে ব্যাট হাতে ৩৪ রান ও বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে সাকিব চোখের সমস্যা অস্বীকার করেছিলেন। তবে শুক্রবার আবার উল্টো কথা বললেন। চোখের অবস্থার কথা জানতে চাইতেই তার পরোক্ষ স্বীকারোক্তি, ‘ভালো আছে আলহামদুল্লিলাহ। জ্বি ভালো আছে আলহামদুল্লিলাহ।’
আগের বছর কোনও দলই মুমিনুল হকের ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি। এবারও তার ব্যাপারে নির্বিকার ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে মুমিনুলকে দলে ভিড়িয়েছে সাকিবের রংপুর রাইডার্স। এই ব্যাটারের অন্তর্ভুক্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাকিব বলেছেন, ‘দেখুন প্রথমত ক্যাপ্টেন কোচ কোনোটাই আমি না। দলের পরিকল্পনা কী, এটা ক্যাপ্টেন-কোচ ভালো বলতে পারবে। আমার কাছে মনে হয় মুমিনুলের মতো একজন সিনিয়র ক্রিকেটার যখন দলে আসবে সেটার অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে আসবে বলে। আমি নিশ্চিত যে ক্যাপ্টেন ও কোচ কোনও না কোনও পরিকল্পনা করে ওকে দলে নিয়েছে। আমার বিশ্বাস, সুযোগ পেলে ও দলের হয়ে অবদান রাখতে পারবে।’
