যশোরের ৮ উপজেলায় ১৪৪টি ঠিকানাহীন মানুষের স্বপ্ন পূরণ হলো, যা ছিল তাদের কল্পনার বাইরে। তারা নিজস্ব জমিতে আধাপাকা ঘরে উঠবেন পরিবার পরিজন নিয়ে। আর এমন ব্যবস্থাটি করে দিয়েছেন মানব দরদী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ভূমিহীন ঘরহীন এই পরিবারগুলোকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ঘর হস্তান্তর করেছেন। এর আগে যশোরের আরো এক হাজার ১৮১ ভূমিহীন পেয়েছেন সরকার প্রদত্ত ঘর। ‘আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এ স্লোগানকে সামনে নিয়ে গৃহহীনদের এ ঘর দেয়া হচ্ছে।
মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে কাজ করলে সমাজ দ্রুত এগিয়ে যায়। সম্পদ অর্থ সুযোগ সুবিধা পরিবেশ সবই আছে। শুধু চোখ কান খোলা রেখে কাজ করলেই হয়। কিন্তু কেউ এ কথাটা বুঝতে চান না যে, যিনি জনগণের সেবার দায়িত্ব নিতে ভোট প্রার্থনা করে নির্বাচিত হন তিনি আর মানুষর কাছে যান না, মনে রাখেন না মানুষের কথা। আর অতি সাধারণ মানষের কথা মনে রাখার তো প্রশ্নই আসে না। দেশ পরিচালকের আসনটি কিন্তু নিজের আভিজাত্য ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য জন্য নয়। ওই আসনের সামনের মানুষগুলো তার মান। তারা আশরাফ- আতরাফ, নিরন্ন-বুভুক্ষ যাই হোক তাদের সম্মান দিতে হবে। মানব সেবার মাধ্যমে যে আভিজাত্য প্রতিষ্ঠিত হয় সেটিই প্রকৃত আভিজাত্য। প্রধানমন্ত্রী এ কথাটি বাস্তবভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তার মহানুভবতায় যশোরের আশ্রয়হীন পরিবারগুলো দুই শতক জমিতে পেলেন মাথা গোজার ঠাঁই। ঠিকানাহীন মানুষকে নিলেন কোলে টেনে, ব্যবস্থা করলেন তাদের আবাসনের। এ এক অনন্য মহানুভবতা। সুবিধাভোগীরা এখন ছিন্নমূলের গ্লানিমুক্ত হয়ে পাবে সামাজিক মর্যাদা।
প্রধানমন্ত্রী এমনিভাবে দেশের অতি সাধারণ স্তরের মানুষের সাথে স্বজনের মতো ব্যবহার করেন। প্রজাতন্ত্রের মানুষের জন্য একজন প্রধানমন্ত্রীর যা করা উচিত জননেত্রী শেখ হাসিনা তাই করছেন। তার মহানুভবতায় দেশের অনেক অসহায় মানুষ পেয়েছে চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য সুবিধা।
‘এই দুনিয়ার যত নিঃস্ব মানুষ নাই যাদের ঠিকানা / বঞ্চিত, ব্যথাহত, নিপীড়িত, লাঞ্ছিত তাদের কথা ভুলনা / তারাই তোমাদের মান / দিতে হবে সম্মান।’ বিখ্যাত এই সঙ্গীতের প্রতিটি বাক্য জীবন্ত হয়ে উঠেছে প্রধানমন্ত্রীর এ উপহারে। ঠিকানাহীন বঞ্চিত, ব্যথাহত, নিপীড়িত, লাঞ্ছিত মানুষ স্থায়ী ঠিকানা পাওয়ায় ইতিহাসের এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায় রচিত হলো।