নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের চাঁচড়া থেকে আটক পরিবহন নেতাদের ছেড়ে দেয়া হলেও শুক্রবার আট শ্রমিকের নামে মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। আগের দিন বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে চাঁচড়া চেকপোস্টে গোলযোগের সৃষ্টি হয়।
কারাগারে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, যশোর শহরের চাঁচড়া চোরমারা দীঘিরপাড় এলাকার রহিম ড্রাইভারের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত জলিল শেখের ছেলে বাবু শেখ, শংকরপুর জমাদ্দারপাড়ার মৃত মনির উদ্দির সরদারের ছেলে আলাউদ্দিন আলা, গোলাপাতা মসজিদ এলাকার তাইজেল রহমানের ছেলে বিপ্লব হোসেন, রেলরোড তরকারি বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে দুলাল, রূপদিয়া মধ্যপাড়ার আব্দুল হামিদ ভাসানির ছেলে ইসমাইল হোসেন, মণিরামপুর উপজেলার রতেœশ^রপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, ঝিকরগাছা উপজেলার কুলিয়া গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে রেজাউল ইসলাম ও সাগরপুর গ্রামের আব্দুল মোড়লের ছেলে রিপন হোসেন মিকাইল।
এই মামলার পলাতক এগারো আসামি হলেন, ইমাম হোসেন, বাবু, বিল্লাল হোসেন, কুরবান আলীম সাহাদৎ হোসেন, টুকু, সাজু, হামিদ, চায়না, জুম্মান ও শফিয়ার।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, তুচ্ছ ঘটনায় গত ৭ নভেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে যশোরের চাঁচড়া চেকপোস্ট থেকে বেনাপোলগামী বাসসহ সকল যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে একটি মহল। খবর পেয়ে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে এসে সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে সুবিধার জন্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। কিন্তু এরই মধ্যে একটি অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় শাহিন ও পিন্টু কুমার রায় আহত হন। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলায় আটজনকে আটক করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
অপরদিকে, ওইদিন চাঁচড়া চেকপোস্টে গোলযোগের কারণে যশোর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিশ^নাথ বিষু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ও শ্রমিক সাগর হোসেনকে আটক করা হয়েছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছিল। ওইদিন গভীর রাত পর্যন্ত প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সাথে কয়েকটি পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা দেনদরবার করে ওই তিনজনকে ছাড়িয়ে নিয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।
